কৌতুক

( এক )
একটা সত্যি ঘটনা :
বাবা সৎ-উপার্জনের সরকারী চাকুরী করতেন বলে ছোটবেলা থেকেই সংসারে টানাটানি দেখে অভ্যস্ত। তাতে কি ? তাই বলে জন্মদিন পালন করতে পারব না ?
তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি। বাবার কাছে বায়না ধরলাম এবার আমার জন্মদিন পালন করতে হবে। কপাল কুঁচকে হলেও বাবা রাজি হয়ে গেলেন, বললেন বিকেলে স্পেশাল নাস্তাপানি হবে।
বিকেলে বিশেষ নাস্তাপানি ( টানাটানির সংসারে চটপটি আর সেমাই ) তৈরী হল। বাবা ছোটভাইকে পাঠালেন মসজিদের হুজুর কে নিয়ে আসতে, একটু দোয়া দরূদ পড়ার জন্য। হুজুর আসলেন, বৈঠকখানায় বসলেন। সোফায় বসে একটা পাখীর পালক কানে ঘুরাতে ঘুরাতে প্রশ্ন :
“ লাশ কোন ঘরে ? “
বুঝতে পারলাম এটা ছিল হুজুরের জীবনে প্রথম কোন জন্মদিনের দাওয়াত, ওনারা সাধারনত: মৃত্যু সংক্রান্ত দাওয়াত পেয়ে অভ্যস্ত !!
( দুই )
এক ভদ্রলোকের স্ত্রীর পেটে ব্যথা। ক্লিনিকে অনেক টাকা খরচ করে বিভিন্ন পরীক্ষার পর মহিলার appendix ধরা পড়ল। ডাক্তার অপারেশন করে appendix কেটে ফেলে দিল। স্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল।
এক বছর পর :
ভদ্রলোক : ডাক্তার সাহেব, আমার বউয়ের পেটে ব্যথা।
Appendix অপারেশন করতে হবে। যত তাড়াতাড়ি
সম্ভব আপনার ক্লিনিকে একটা অপারেশনের
appointment করে দিন। দেরী করবেন না, প্লিজ !
ডাক্তার : আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আসুন, পরীক্ষা করতে হবে।
ভদ্রলোক : (পরীক্ষার বিশাল খরচ বাঁচানোর জন্য)
পরীক্ষা করা লাগবে না, আপনি অপারেশন করে
appendix টা ফেলে দিন।
ডাক্তার : ভাই, for your information, একটা মানুষের
জীবনে একবার appendix হয়। গতবছর তো আপনার
স্ত্রীর appendix কেটে ফেলে দিলাম !
ভদ্রলোক : ডাক্তার সাহেব, একটা পুরুষের তো দুইটা বউও
থাকতে পারে !!
সংগ্রহ; শহীদ উদ্দিন
Exit mobile version