সন্ধান২৪.কমঃ বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক, নাট্যকার ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সাবেক পরিচালক, অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি আহমেদ মুসা গতকাল ১৭ই এপ্রিল, আমেরিকার ক্যানসাস স্টেটের মিসৌরীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ।

গত প্রায় এক দশক যাবত যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছিলেন আহমেদ মূসা। ২০১১ সালে নিউ ইয়র্কে আসেন। তার স্ত্রী ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রান্ট হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় তিনিও সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এসে প্রবাস জীবন শুরু করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে আসে তার ছেলে ও মেয়ে। নিউ ইয়র্কে অবস্থানকালে তিনি প্রায় ৩ বছর স্থানীয় সাপ্তাহিক আজকালের সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠিত হয় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। … সর্বসম্মতিক্রমে এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন জাহানারা ইমাম। এই কমিটি ১৯৯২ সালে ২৬ মার্চ ‘গণআদালত’ এর মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার অনুষ্ঠান করে। আহমেদ মূসা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ কমিটির সদস্য ছিলেন।
আহমেদ মূসার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই আহমেদ মুসা অসুস্থ্য হয়ে প্রথমে নিউইয়র্কে পরবর্তীতে তার মেয়ের কাছে টেক্সাসের ওকলাহোমা সিটিতে এবং শেষে কানসাসেরি মিসৌারিতে ছেলের কাছে বসবাস করছিলেন। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার পর আহমেদ মুসা নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক আজকাল পত্রিকা সম্পাদনা করেন। সাংবাদিকতা ছাড়াও তিনি উপন্যাস, প্রবন্ধ, কলাম ও বিভিন্ন নাটক রচনা করেন।
আহমেদ মূসা স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।