চিলির জালে ব্রাজিলের গোলোৎসব

লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পাঠ চুকানো শেষ। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে আগেই। সেলেসাওদের জন্য বাছাইপর্বের ম্যাচগুলো তাই কেবলই নিয়ম রক্ষার। সেই ম্যাচগুলোতেও দারুণ ছন্দে তিতের দল। সবশেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে চিলিকে নাস্তানাবুদ করেছে নেইমার-ভিনিসিউসরা। শুক্রবার মারাকানা স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।

নেইমার দলকে এগিয়ে নেয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামার কিছুক্ষণ পর গোল পান ফিলিপে কুটিনহো। আর যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান রিচার্লিশন।
ঘরের মাঠে গোটা ম্যাচেই ছিল ব্রাজিলিয়ানদের আধিপত্য।
৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবারের উদ্দেশ্যে মোট ১৮টি শট নেয় সেলেসাওরা। যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৯টি। অপরদিকে ৪২ শতাংশ বল দখলে রাখা চিলি ১০টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পারে মাত্র ২টি শট।

১৯তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ব্রাজিল। তবে নেইমারের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। ৩৭তম মিনিটে ফের চিলির গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভোকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন পিএসজি তারকা। অবশেষে ৪৪তম মিনিটে সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেন নেইমার। চিলির মাউরিসিও ইসলা নেইমারকে ডি-বক্সে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
১ মিনিটের মধ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। গোলরক্ষক ব্রাভোর বাজে ক্লিয়ারেন্সে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান এন্টনি। তার স্কয়ার পাসে বাকিটা সারেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড ভিনিসিউস।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্রাজিলের জালে বল পাঠান হোয়াকিন মন্তেসিনোস। কিন্তু আর্তুরো ভিদাল অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়।

৭২তম মিনিটে স্কোরশিটে নাম তোলেন কুটিনহো। বদলি নামার কিছুক্ষণ পর গোল পান রিচার্লিশন। যোগ করা সময়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড।
আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে জিতে বিশ্বকাপে যাওয়ার এখনও একটি সুযোগ আছে চিলির (১৯)। তবে সেই জায়গার জন্য তাদের সঙ্গে প্রবল লড়াই হবে পেরু (২১) ও কলম্বিয়ার (২০)।
একই দিনে অন্য ম্যাচে প্যারাগুয়েরে বিপক্ষে ৩-১ গোলে হেরেছে ইকুয়েডর। তবে অন্য ম্যাচের ফলের ভিত্তিতে বিশ্বকাপে যাওয়া ঠিকই নিশ্চিত হয়েছে তাদের। পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের সঙ্গী হয়েছে উরুগুয়ে। ইকুয়েডরের মতো দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদেরও ১৭ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট।

Exit mobile version