সন্ধান২৪.কমঃ আগামী জানুযারী মাস থেকে চীন দেশ তাদের সীমান্ত উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সেদেশ থেকে আগতদের জন্য কোভিডের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।
ইতোমধ্যে চীনা ভ্রমণকারীদের জন্য কঠোর ব্যবস্থার রূপরেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক শর্ত হলো, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হলে নেগেটিভ রিপোর্ট অবশ্যই থাকতে হবে। তবে বেইজিং বলছে, মার্কিন কোভিড নিয়মগুলো আরও ‘বৈজ্ঞানিক’ ভিত্তিতে করা উচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের দেশে প্রবেশের সময় কোভিডের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক চীনা নাগরিকদের পাসপোর্টের আবেদন ৮ জানুয়ারি থেকে আবার শুরু হবে। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, চীনে চলমান কোভিড-১৯ বৃদ্ধি এবং ভাইরাল জিনোমিক সিকোয়েন্স ডেটাসহ স্বচ্ছ ডেটার অভাব রয়েছে। এনিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। আমেরিকান এক উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বলছেন, চীনে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে থাকার মধ্যে ভাইরাসটি নিয়ে স্বচ্ছতায় ঘাটতি থাকার কারণে নতুন বিধিনিষেধের এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এরই মধ্যে চীনে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে থাকার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে ।
ফলে চীন থেকে যাওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত, জাপান, মালয়েশিয়া এবং তাইওয়ান। ইতালিও বুধবার চীনাদের জন্য কোভিড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। তবে চীন বলছে, কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ‘বৈজ্ঞানিক’ ভিত্তিতে এবং সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত।
কোভিডের কঠোর সব বিবিধিনিষেধের কারণে তিন বছর বাদবাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল চীনের মানুষ। এখন বিধিনিষেধগুলো উঠে যাওয়ায় এবং আগামী মাসে সীমান্ত খোলার আগ দিয়ে চীনারা ঝুঁকছে ভ্রমণে।
লাগাতার বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘদিনের ‘শূন্য কোভিড’ নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে চীন। দেশটিতে প্রবেশকারীদের জন্য বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন বিধি ৮ জানুয়ারি থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। তার আগে এখন থেকেই বিদেশ ভ্রমণের জন্য টিকেট বুকিং শুরু করে দিয়েছে চীনারা।


