জেএমবির পনিরের যে ভাবে ফাঁসি হলো

সন্ধান২৪.কমঃ  বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে  নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য আসাদুজ্জামান পনিরের (৩৭) ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছেআসাদুজ্জামান পনির ছিলেন নেত্রকোনায় উদীচী কার্যালয়ে বোমা হামলার আসামি।

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার কানাইকরস্থানের ফজলুল হক চৌধুরীর ছেলে।

কাশিমপুর কারাগারের জেলার দেব দুলাল কর্মকার বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসাদুজ্জামানের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ পাহারায় স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে রওনা হয়েছেন।

জল্লাদ শাহজাহানের হাতে আসাদুজ্জামান পনিরের ফাঁসি কার্যকর হয় । মৃত্যু নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি ডাক্তার আশিফ রহমান ইভান। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় কারা উপ-মহাপরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাসরীন সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. মো. খাইরুজ্জামান এবং পুলিশ কমিশনারের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান পনির ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার রাধা কানাই কবরস্থান এলাকার ফজলুল হক চৌধুরীর ছেলে।
জানা যায়, ২০০৫ সালে ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনায় উদীচী ও শতদল কার্যালয়ে বোমা হামলার মামলায় পনিরকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ওই বোমা হামলায় ৮ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় জেএমবি সদস্য আসাদুজ্জামান পনির ওরফে আসাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে নেত্রকোনা থানার একটি মামলায় ঢাকা দ্রুত ট্রাইব্যুনাল আদালত ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।  আদালতের আদেশে আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেএমবি সদস্য আসাদুজ্জামান পনিরকে বৃহস্পতিবার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হলো।

 নেত্রকোনা থানায় করা একটি মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা ছিল। নেত্রকোনা থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরেকটি মামলায় তার ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়। এছাড়া বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় তাকে আরও মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

 

Exit mobile version