সন্ধান২৪.কমঃ ‘জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশন অব এনওয়াই’ (জেবিবিএ) এর নির্বাচনে বিজিত টুকু-মুনির পরিষদ তাদের সংবাদ সম্মেলনে গত ৯ জানুয়ারী জেবিবিএর নির্বাচনের বিরুদ্ধে মামলা ও নতুন কমিটি গঠনের ঘোষনা দিয়েছে।
টুকু -মনির পরিষদ জেবিবিএর কমিটি ঘোষনা দিলে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস এসোসিয়েশনের সর্বমোট তিনটি কমিটি হবে। এর মধ্যে একটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন হারুণ-ফাহাদ, অপর একটির গিয়াস-তারেক এবং মাহবুবর রহমান টুকুর নেতৃত্বে আর একটি কমিটি গঠন হতে চলেছে।
গত ৯ জানুয়ারী জেবিবিএর নির্বাচনে ক্রিমিনাল এক্টিভিটি, দূর্নীতি ও ব্যাপক অনিয়মের জন্য নির্বাচনের ফলাফল না মেনে আদালতের আশ্রয় গ্রহন এবং জেবিবিএ’র নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
১০ ফেব্রুয়ারি জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি পদপ্রার্থী মাহবুবর রহমান টুকু। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মুনীর হাসান, সহ সভাপতি মোঃ সোলেয়মান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল ফারুক ও সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত জানুয়ারী মাসের ৯ তারিখে অনুষ্ঠিত জেবিবিএ’র নির্বাচনে অপরাধমূলক ক্রিয়াকলাপ, দুর্নীতি ও ব্যাপক অনিয়মের প্রেক্ষিতে নির্বাচনের ফলাফল কোন অবস্থাতেই মেনে নেয়া যায় না বিধায় আমরা আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছি।
আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমার একার নয় বরং আমার প্যানেলে অংশগ্রহনকারী সকলের। পাশাপাশি জ্যাকসন হাইটস এর ব্যবসায়ী ভাই বোনদের অনেকেই উক্ত নির্বাচনের ফলাফল ও মামলার বিষয়ে আমাদের সাথে একমত।
আমরা সকলেই বিশ্বাস করি জানুয়ারীর ৯ তারিখে জেবিবিএ’র নির্বাচনে যে কোন উপায়ে জয়লাভের লক্ষ্যে গিয়াস তারেক প্যানেল সকল অবৈধ তৎপরতার আশ্রয় নিয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই সকল অপতৎপরতা চালানো হয়। নির্বাচনের পরের দিনই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বাংলাদেশ সফরও ছিল অপতৎপরতায় অংশ।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম মেশিন ও সফটওয়্যার ম্যনিপুলেশন, প্রকৃত ভোটারদেরকে ভোট প্রদানে বাঁধা এবং নন্ ভোটারদেরকে ভোটদানের সুযোগ সহ বিভিন্ন অপতৎপরতা চালানো হয়েছিল। এই অপতৎপরতাকে বৈধ করার লক্ষ্যে এনওয়াইপিডির অফিসারদেরকেও ব্যবহার করা হয়েছিল।
আমাদের দায়েরকৃত মামলা এখন আদালতে বিচারধীন রয়েছে, এবং অবৈধভাবে নির্বাচিতরা সার্বিক সমস্যার নিরসন বাদ দিয়ে লোকদেখানো শপথ গ্রহনের আয়োজন করেছে।
এধরনের অপতৎপরতাকারীদের হাতে জেবিবিএ’র মত একটি সংগঠনকে তুলে দেয়া ব্যবসায়ী কম্যুনিটিকে চরমভাবে অপমানের সামিল বিধায় সকলের পরামর্শে,প্রকৃত ব্যবসায়ীদেরকে নিয়ে লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আমরা জেবিবিএ’র নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের এই কমিটিই হবে জেবিবিএ’র প্রকৃত কমিটি। অবৈধরা শপথ নিলেও জেবিবিএ’র মুল সংগঠনটির উপর এদের কোন প্রভাব পরবে না। আমাদের দায়েরকৃত মামলার ফলাফলের উপর আমাদের বর্তমান কমিটির সময়সীমা নির্ভর করবে। আদালতের সকল রায় সময়মত সকলের সামনে উপস্থাপন করা হবে। এ ব্যপারে আমরা সকল ব্যবসায়ী ও শুভানূধ্যায়ীদের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি।
