ট্রাম্পকে নিষিদ্ধের পর ধ্বস নামলো টুইটারের শেয়ার দর

সন্ধান২৪.কমঃ যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট সহিংসতা উসকে দেয়ার মতো গাইডলাইন ভঙ্গ করার দায়ে গত শুক্রবার রাতে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় । এরপর সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস সোমবার টুইটারের জার্মান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ারগুলোর দর ৮ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে।  

সর্বশেষ টুইটারে ট্রাম্পের ৮ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার ছিল। এর মাধ্যমে টুইটার প্রথম কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে নিষিদ্ধ করলো। এরপর থেকেই মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টরাও যে বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ওপর আরো বিস্তৃতভাবে প্রভাব ফেলতে পারে- তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বির্তক তৈরি হয়েছে। 

সোমবার সকালে মার্কিন-তালিকাভুক্ত শেয়ারগুলোর দামও ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কমে যায়। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার বিষয়টি আগে থেকেই অনুমান করা হয়েছিল। 

বাজার বিশ্লেষক সংস্থা বার্নস্টেইনের গবেষকরা এ বিষয়টি নিয়ে একটি নোটে লিখেছেন, কিছু ব্যবহারকারী কমে যাওয়া প্রত্যাশিতই ছিল। যদিও এনগেজমেন্ট হ্রাস একটি বড় প্রশ্ন। 

সোশ্যাল জায়ান্ট ফেসবুকও একই অভিযোগে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে। 

গত বুধবার মার্কিন ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্পের সমর্থকরা তাণ্ডব চালানোর পর টুইটার ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট সাময়িক স্থগিত করে। এরপর টুইটার জানিয়েছিল, সাম্প্রতিককালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমস্ত টুইট পর্যালোচনা করে সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্থায়ীভাবে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হবে।  না হলে পরবর্তীতে তার টুইট থেকে সহিংসতায় উসকানি ছড়ানোর একটি আশঙ্কা থেকে যায়।

শুধু ট্রাম্প নন, তার দুই সঙ্গী, সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন ও অ্যাটর্নি সিডনি পাওয়েলের অ্যাকাউন্টও স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছেন টুইটার কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উপস্থাপনের অভিযোগ রয়েছে। 

 

Exit mobile version