সন্ধান২৪.কম : ফিফা দুই প্রীতি ম্যাচ সিরিজের লড়াইয়ে বাংলাদেশ শেষ ম্যাচ নেপালের বিপক্ষে গোল শূন্য ড্র করেও সিরিজ জিতেছে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে রেফারির বাঁশিতে ম্যাচটা শেষে হতেই আতশবাজির খেলা শুরু হয়।

মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি ফুটবল সিরিজ জিতে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে তারা নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল লাল-সবুজ বাহিনী। ফলে দুই ম্যাচের এই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ। খেলাশেষে সিরিজ জয়ী বাংলাদেশ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মোঃ সালাউদ্দিন। এই জয়ে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দলের।
মঙ্গলবারের খেলায় নেপালের (ফিফা র্যাঙ্কিং ১৭০) চেয়ে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় এগিয়ে থেকে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ (১৮৭)। এই খেলায় যদি ন্যূনতম ড্রও করতে পারে তাহলেই সিরিজ ও ট্রফি নিজেদের করে নেবে… এমন সমীকরণ নিয়েই মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। শেষ পর্যন্ত তাই হয়।
নেপাল জেনে নিয়েছে বাংলাদেশের আক্রমণ ঠেকাতে জীবনকে বন্দি করতে হবে। স্ট্রাইকিং পজিশনে জীবন এবং অনভিজ্ঞ সমুন রেজা নেপালের রক্ষণে ভাঙ্গন ধরাতে পারছিলেন না। পেছন থেকে বল ঠেলে দিলেও অনভিজ্ঞ সুমন রেজা নেপালের গোলকিপার কিরণ কুমারকে বিপদে ফেলতে পারলেন না। এই কিরণ কুমারকে আগের ম্যাচে বোকা বানিয়ে গোল করেছিলেন জীবন। সেই কিরণ আজ অনেক সতর্ক ছিলেন। কড়া নজর রেখেছিলেন বাংলাদেশের আক্রমণের দিকে। নিজের গোলপোস্টে যেন বল ঢুকতে না পারে সেটা ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছিলেন কিরণ। জীবন মাঝ মাঠের উপর থেকে বলটা সুমনের দিকে ঠেলে দিলে সুমন বাম পায়ে শট নেন। বল ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। অথচ সময় নিয়ে দেখে শুনে শট নেয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারতেন। একদিকে জমাল ভুঁইয়া, অন্যদিকে মিলন মোল্লার সহযোদ্ধা সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া। অন্তত চার বার ক্রস ফেলেছিলেন নেপালের গোল মুখে। কোনোবারই কাঁপন ধরাতে পারেনি। বরং শেষ মুহূর্তে নেপালের বদলী নবযুগ শ্রেষ্ঠার হেড জালে ঢোকেনি, নিশ্চিত হার হতে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।