সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সের ভিক্ষুক। পথেঘাটে মানুষের থেকে চেয়েচিন্তে, ভিক্ষা করে দিন পার করেন। সেই তিনিই বিয়ে করেছেন ২১টি ! যুক্তি, কাউকে তিনি ‘না’ বলতে পারেন না। যিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন, তাঁকেই বিয়ে করে ফেলেন।
বাংলাদেশের নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুরের বাসিন্দা মরু। কর্মজীবনের শুরুতে একটি ধানের বয়লারে কাজ করতেন তিনি। পায়ে চোট পেয়ে কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে তাঁর ভিক্ষাবৃত্তি শুরু।

ওই ভিক্ষুকের নাম মরু মিয়াঁ। এই যুবক ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। মরু দাবি করেছেন, ২১ জন স্ত্রী রয়েছে তাঁর এবং প্রায়শই তাঁদের সবার নাম মনে রাখতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়।
মরু মিয়াঁ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি নিজে থেকে কখনওই বিয়ে করতে উদ্যোগী হননি। বরং মহিলারাই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তাঁর কাছে এসেছেন।
সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মরু বলেছেন, ‘‘আমার মধ্যে তাঁরা কী খুঁজে পান, তা আমি জানি না। এর উত্তর কেবল তাঁরাই দিতে পারবেন। নারীরাই আমার কাছে এসে বলেন, ‘চলুন বিয়ে করি।’’’
মরু দাবি করেছেন, বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া নারীদের অনেকের বয়সই তাঁর চেয়ে বেশি। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান না করে তিনি তা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বার বার। যুবক ভিক্ষুকের মতে, কোনও নারীর বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটা অসম্মানজনক বলে মনে হয় তাঁর।
পরিবারের পছন্দে প্রথম বিয়ে করেন বছর দশেক আগে। এর পর একে একে ২১টি বিয়ে করেছেন মরু। থামানো যায়নি তাঁকে। সন্তানের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। প্রতি বিয়ে থেকেই নাকি সন্তান রয়েছে তাঁর।
মরুর কাহিনি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সমাজমাধ্যমে। তাতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। মরুর কাহিনি শুনে অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার হেসে কুটিপাটি খাচ্ছেন অনেকে। নেটাগরিকদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ভিক্ষার উপর নির্ভর করে কী ভাবে এত বড় একটি পরিবার সামলান মরু মিয়াঁ ! আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক