সন্ধান২৪.কম : প্রেমিক’সহ তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ ও ঘটনার ভিডিও করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ার ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর পরিবারের কাছে চাঁদাও দাবি করেন অভিযুক্তরা। এলাকাবাসী দুই অভিযুক্তকে আটক করলেও একজনকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন প্রভাবশালীরা।
এ ছাড়া মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সত্বাবার সহায়তায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং নরসিংদীর মাধবদীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে (৩২) ধর্ষণ অভিযোগ উঠেছে । কুমিল্লার চান্দিনায় মাদরাসাছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক। আরো তিন জেলায় তিন শিশুকে ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। তিন জেলায় ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে তিনজনকে। গত শুক্রবার থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের গুলগুলিয়াপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে। ঘটনার পর মোহাম্মদ এবাদউল্লাহ (২০) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। তিনি বড় মহেশখালীর গুলগুলিয়াপাড়া এলাকার নবাব আলী মিস্ত্রির ছেলে। এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে আরেক অভিযুক্ত খাইরুল আমিনকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন প্রভাবশালীরা। এবাদউল্লাহ ও খাইরুল ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর কথিত প্রেমিক নুরুল হাকিমের বন্ধু। হাকিম গুলগুলিয়াপাড়ার আলী আহমদের ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নুরুল হাকিম কয়েক মাস আগে স্কুলছাত্রীটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েন। গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জরুরি কথা আছে বলে ছাত্রীটিকে ফোন করে ঘর থেকে ডেকে নেন হাকিম। পরে তাকে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে হাকিম ও তাঁর দুই বন্ধু ধর্ষণ এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও করেন। পরে ছাত্রীটি বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানায়। এর পরই অভিযুক্তরা মেয়েটির অভিভাবকদের ফোন করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করতে থাকেন। চাঁদা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ার হুমকি দেন। পরে এলাকাবাসী টাকা দেওয়ার কথা বলে তাঁদের ডেকে নেয়। এ সময় এবাদউল্লাহ ও খাইরুলকে আটক করা হলেও হাকিম পালিয়ে যান। এ ঘটনায় মহেশখালী থানায় মামলা করেছেন কিশোরীটির মা।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মহেশখালী থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ ইমরানুল কবির জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা মামলা করেছেন। পরে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। এবাদউল্লাহকে গতকাল আদালত জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।
