সন্ধান২৪.কম : প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিল দেখতে হচ্ছে দিল্লিকে। রাজধানীর পরিস্থিতি এমনই জায়গায় পৌঁছেছে যে, শ্মশানগুলিতে করোনায় মৃতদের পোড়ানোর জায়গা নেই। এমনকী কবরস্থানগুলিরও একই অবস্থা। একটি দেহ সৎকার করতে ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে মৃতের আত্মীয়দের।

ভারতের এই ভয়াবহ অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র করোনায় মৃত্যু রোধে সব রকম সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী আমেরিকা করোনা সংক্রান্ত ঔষধ ও অন্যান্য সরঞ্চাম পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
কোভিড এড়াতে চলছে লকডাউন। কিন্তু এহেন পরিস্থিতিতেও ঝড়ের গতিতে চলছে কেন্দ্রীয় ভিস্তা প্রকল্প। একমাত্র এই প্রকল্পকেই জরুরি পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শ্রমিকদের কাজে নিয়ে আসার জন্য ১৮০টি গাড়িকে বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন পর্বে রাজধানী দিল্লিতে যাবতীয় নির্মাণকার্য বন্ধ। রাস্তা আটকে চলছে কাজ। অথচ দিল্লিতে প্রতিদিনই করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবারও মৃত্যু হয়েছে ৩২৩ জনের। রবিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫০। গত এক সপ্তাহ ধরে দিল্লিতে মৃত্যুর হার ছিল ৩০০ বেশি। ফলে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক মৃত মানুষের দেহ পোড়াতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে শ্মশান কর্মীদের।


