সন্ধান২৪.কমঃ স্বপ্নের বিশ্বকাপ জিতে মেসি-মার্তিনেজ-আলভারেজরা মঙ্গলবার ভোর রাতে ঘরে ফিরেছেন । বুয়েনস আইরেসে পা দিতেই তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে রাস্তায় ঢল নামে হাজারো মানুষের।

যেন তাঁদের অপেক্ষাতেই নাওয়া-খাওয়া-ঘুম বাদ দিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল সারা দেশ ।মেসিরা বেরিয়ে এসে দেখেন বিমানবন্দরের ঠিক বাইরে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল ‘বিজয়রথ’। সেখানে লেখা ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’।

সেই বাসে চেপেই বিমানবন্দরের বাইরে বার হন মেসিরা। মেসিরা দেশে ফিরছেন শুনেই তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য বুয়েনস আইরেসের ইজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় করেন বিনিদ্র রজনী কাটিয়ে আসা হাজারও মানুষ।

স্বপ্নের বিশ্বকাপ মেসিরা সোনার কাপ হাতে বিমানবন্দরের বাইরে আসতেই হইহই পড়ে যায় উন্মত্ত জনতার মধ্যে। নীল-সাদা পতাকায় ঢেকে যায় শহরের আকাশ।

মেসিরা দেশে ফিরছেন শুনেই তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য বুয়েনস আইরেসের ইজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় করেন বিনিদ্র রজনী কাটিয়ে আসা হাজারও মানুষ। মেসিরা কাপ হাতে বিমানবন্দরের বাইরে আসতেই হইহই পড়ে যায় উন্মত্ত জনতার মধ্যে।

এক মাসের ‘যুদ্ধ’ শেষে দেশে ফিরেছেন নায়করা। বাঁশি-ভেঁপু বাজিয়ে শুরু হয় আনন্দ উদ্যাপন। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে বেজে ওঠে মিশ্র সুর।

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা হুড খোলা বাসের ছাদে চেপে শহরের আরও ভিতরের দিকে এগিয়ে যেতেই উৎসব-মুখর হয়ে ওঠে সারা বুয়েনস আইরেস।

জায়গায় জায়গায় মাইকে চালানো হয় সে দেশের জাতীয় সঙ্গীত। নাচে-গানে-উন্মাদনায় ভরে যায় বুয়েনস আইরেসের রাস্তা। আকাশ ভরে গিয়েছিল রংবেরঙের আলো এবং নীল-সাদা আবিরে।মেসিদের গাড়ি শহরের মাঝামাঝি থাকা বিখ্যাত ওবেলিস্ক মিনারের কাছাকাছি পৌঁছতে আপ্লুত হন মেসিরা।

তাঁদের চোখের সামনে ভাসছিলেন তাঁরাই। সারা মিনারের গায়ে আলোর কেরামতিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপজয়ীদের ছবি।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে আনন্দে মাতেন মেসি-আলভারেজরাও। গানের তালে তালে শরীর দোলাতে দেখা যায় তাঁদেরও।লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশ আর্জেন্টিনার অন্যতম পরিচয় ফুটবল। আর্জেন্টিনা শেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৮৬ সালে। তারও আগে ১৯৭৮ সালে।


