সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য এবং সেটি বজায় রাখার জন্য ২৩ বছর বয়সী এই তরুণকে সর্বোচ্চ প্রশংসিত ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। দৃষ্টি, সামাজিক প্রভাব, অন্যকে অনুপ্রাণিত করা, নেতৃত্ব এবং পরিষেবা যাত্রা এই পাঁচটি ক্ষেত্রের ওপর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
রাফিউল অল্প বয়স থেকেই বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে এটি তাকে জাগো ফাউন্ডেশনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগদান করতে অনুপ্রাণিত করে। যেখানে তিনি কাজ চালিয়ে যান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। পানি দূষণ, পরিবেশবান্ধব পরিবহন এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যার জন্য আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রমে রাফিউল একাধিকবার নেতৃত্ব দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘স্পন্সর এ চাইল্ড’ প্রোগ্রামটি। যেখানে মাত্র এক বছরের মধ্যে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার জন্য রাফিউল ১৫০ জন স্পন্সর পিতামাতার ব্যবস্থা করে বিশেষ অবদান রাখেন। পাশাপাশি তিনি শিশুদের পড়াশোনার জন্য প্রায় ৪০ হাজার ডলার অনুদান সংগ্রহ করেন।
বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ডায়ানা পুরষ্কারটি তরুণদের সম্মানে দেওয়া হচ্ছে। ইত্তেফাক/এএএম


