সন্ধান২৪.কমঃ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার আশুতিয়া এলাকায় এক নার্সকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিডিও চিত্রও ধারণ করেছে অভিযুক্তরা। গত মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শিবপুরের ঘটনায় গত বুধবার রাতে দুজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় দুজনকে আসামি করে শিবপুর মডেল থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নার্সের (তরুণী) বাবা। তাঁদের মধ্যে দুই আসামি হলেন শিবপুরের মজলিশপুর এলাকার তারা ভূইয়ার ছেলে হারুন ভূইয়া (২০) এবং একই এলাকার মতিন কমান্ডারের ছেলে মনির ভূইয়া (২০)। মনির গ্রেপ্তার হয়েছেন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী নরসিংদীর হাসপাতালের নার্স গত মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাবা ও ছোট বোন পার্শ্ববর্তী গ্রামে অত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যায় অভিযুক্ত হারুন ভূইয়া তাঁর ব্যবহূত মোবাইল ফোন থেকে তরুণীকে ফোন করে বলেন, তাঁর (তরুণী) ছোট বোনকে নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে, তিনি যেন দ্রুত আসেন। তখন তিনি ছোট বোনের নম্বরে ফোন করলেও যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মজলিশপুরে পৌঁছেন। এ সময় অন্য অভিযুক্ত মনির ভূইয়া তাঁকে ছোট বোনের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আশুতিয়ার একটি কলাক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে অভিযুক্ত হারুন, মনির ও অজ্ঞাতপরিচয় দুজন তাঁকে ধর্ষণ ও ভিডিও করেন। পরে অজ্ঞাতপরিচয় দুজন চলে গেলে হারুন ও মনির তরুণীর আত্মীয়কে ফোনে জানান, তরুণী অসুস্থ অবস্থায় কলাক্ষেতে পড়ে আছেন। খবর পেয়ে আত্মীয় ও ছোট বোন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যান।
শিবপুর মডেল থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার মনির ভূইয়া ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


