সন্ধান২৪.কম : গ্রেপ্তার করা দুই সন্ত্রাসীর কাছ থেকে জানা যায় , নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও করে রাখা হয়। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব ও টাকা দাবি করা হয় ওই নারীর কাছে। এতে রাজি না হওয়ায় সেই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ সেপ্টেম্বর রাতে দেলোয়ার বাহিনীর কয়েকজন সদস্য ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে তাকে বিবস্ত্র করে বিভিন্নভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিকভাবে নির্যাতন করে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে। রবিবার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়।
র্যাবের হাতে গ্রেফতার দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন ও প্রধান আসামি মো. নুর হোসেনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানা যায়। র্যাব জানায়, দেলোয়ার বাহিনী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং নানান সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। আর দেলোয়ার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার ভয়ে লোকজন ভীত। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে দুটি মামলা হয়েছে।
র্যাব-১১-এর একটি বিশেষ দল গত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাংরোড এলাকা থেকে দেলোয়ার হোসেনকে (২৬) গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে ভোরে ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকা হতে নারী নির্যাতনের প্রধান আসামি মো. নুর হোসেন বাদলকে (২০) গ্রেফতার করা হয়। ওই নারীর বাবা সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা ‘প্রভাবশালী হওয়ায়’ এতদিন ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার সাহস হয়নি তাদের।
