সন্ধান২৪.কমঃ বাকবিতণ্ডার জেরে আলোচনায় আসা ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বরিশাল বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনির পরিচয়পত্র দেখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় পুলিশ-চিকিৎসক-ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যে। গত ১৮ এপ্রিল এলিফ্যান্ট রোডে সেই সময় সেখানে মামুনুর রশীদ ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্বরত ছিলেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বদলির বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, সেদিনের চেকপোস্টে দলনেতা হিসেবে সেই ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। বিধায় দলনেতা হিসেবে তাকে দায় নিতে হবে।
বদলির বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে ছিলেন। চিকিৎসক তাকে একাধিক প্রমাণপত্র দেখানোর পর আলাপ এতদূর এগুনোর দায় তাকে নিতে হবে। বিশেষত করোনাকালে কোনও চিকিৎসককে জেরা করার ক্ষেত্রে আরও সাবধান হওয়া উচিত ছিল। যখন তিনি একাধিক প্রমাণ দেখিয়েছেন তখন তার সঙ্গে এতে কথা হওয়া ঠিক হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে অনেক দিন ধরে এখানে আছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তাকে বদলি করা হয়েছে। তার বদলির বিষয়টি আগে থেকেই প্রক্রিয়াধীন ছিল। ওই ঘটনার সঙ্গে বদলির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
এর আগে বাকবিতণ্ডার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়লে দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি হয়। চিকিৎসক, পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট তিনজনই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে দাবি করেন। নিজেদের মানহানি দাবি করে চিকিৎসক এবং পুলিশ একে অপরের শাস্তি দাবি করে।


