সন্ধান২৪.কম: গাফফার চৌধুরী মুক্তবুদ্ধি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের স্বপক্ষে জনমত গড়ে তুলেছেন। একুশের অমর গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরীর হৃদয়জুড়ে বিরাজ করতো প্রিয় মাতৃভূমি; যা তার লেখনীতে প্রকাশ পেয়েছে সবসময়। বিশ্বখ্যাত একজন বরেণ্য সাংবাদিক হিসেবে তার অবদান বাঙালি জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে অনন্তকাল। ‘ওপেন আইজ নিউইয়র্ক’ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে আবদুল গাফফার চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদউল্লাহ একথ বলেন।


গত ১২ ডিসেম্বর সন্ধায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে ‘ওপেন আইজ নিউইয়র্ক’ ২১ শের অমর গানের রচয়িতা গাফফার চৌধুরী‘র ৮৯তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করে।
সংগঠনের সদস্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাহিদ আনসারীর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও সংগঠনের সদস্য তোফাজ্জল লিটন। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সনজীবন কুমার। গাফফার চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র উদীচীর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তাফা খান মিরাজ ও ৭১‘র আহ্বায়ক শিবলী সাদিক।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, আেইন ও সালিশ কেন্দ্রের নুর খান লিটন, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারী বকুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিথুন আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, প্রজন্ম প্রগ্রেসিভ ফোরামের জাকির হোসেন বাচ্চু, বেঙ্গলী ক্লাবের সভাপতি দীনেশ মজুমদার, সাংবাদিক রায়হান উদ্দিন,সাংস্কৃতিক কর্মী হিরো চৌধুরী, সংগঠন সদস্য রাজনৈতিক কর্মী তানভীর কায়সার প্রমূখ।


সভাপতি মুজাহিদ আনসারী বলেন, গাফফার চৌধুরী আমৃত্যু দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে কলম ধরেছেন সাহসিকতায়।


অন্যান্য বক্তরা বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে লিখেছেন অসংখ্য কলাম-গল্প-কবিতা- উপন্যাস। বহুমাত্রিক কলমযোদ্ধা আবদুল গাফফার চৌধুরী ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ‘৭০ এর নির্বাচন, ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় তার লেখনী; তার অবদানের কথা আমরা ভুলিতে পারি না।
বক্তরা আরও বলেন, দেশে-প্রবাসে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমেই গাফফার চৌধুরীকে প্রকৃত সম্মান জানানো হবে।


