সন্ধান২৪.কম: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ১৮ মে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম বার্ষিকী উদ্যাপন করে।
কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে পহেলা বৈশাখকে বাঙালির প্রাণের উৎসব বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, নতুন আশা, নতুন উদ্দীপনা আর নতুন প্রতিশ্রæতি নিয়ে নববর্ষ আমাদের মাঝে এসেছে। হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক চেতনার এক মূলস্তম্ভ হচ্ছে আমাদের প্রাণের বৈশাখী উৎসব। গোত্র-বর্ণ-ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে বাংলার সকল মানুষের সার্বজনীন উৎসবের নাম নববর্ষের উৎসব। তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে- বাংলাদেশ তথা বিশ্ব সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁদের অবদান চিরস্মরণীয়। রবীন্দ্র-নজরুলের চিন্তা-চেতনা ও দর্শন বিশ্ব শান্তি, সাম্য-ঐক্য প্রতিষ্ঠায় বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আমাদের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীকার সংগ্রামের প্রতিটি পর্যায়ে রবীন্দ্র-নজরুলের অনুপ্রেরণা শক্তি যুগিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা উপস্থাপন করেন ডেপুটি কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান এবং প্রথম সচিব প্রসূন কুমার চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কস্থ আনন্দধ্বনি, শিল্পকলা একাডেমী ও বাফা কর্তৃক দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি, গ্রাম-বাংলার লোকজ গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে কনস্যুলেট জেনারেলকে দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আলোকে সুসজ্জিত করা হয়। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে বসবাসরত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ কমিউনিটির রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সহ বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


