সন্ধান২৪.কম: ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যসভার সাংসদ বিপ্লব দেব নির্বাচন থেকে ছিটকে গেলেন। অযোগ্যতা,সীমাহীন দূর্নীতি,ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্যই তাকে নির্বাচনে টিকেট দেয়া হয় নাই।
এদিকে প্রার্থী তালিকায় বিপ্লব দেবের নাম না থাকায়,নিউইয়র্কে তার ভক্ত ও সমর্থকদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
বছরের শুরুতেই ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ভোট। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ৬০ জনের প্রার্থী তালিকার ৪৮ জনের নাম ঘোষণা করল বিজেপি। তালিকায় নাম নেই বিপ্লব দেবের। বনমালীপুর কেন্দ্রে তাঁর জায়গায় প্রার্থী হচ্ছেন রাজীব ভট্টাচার্য। বিজেপির সাধারণ ভোটারদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিপ্লব ছিল চরম ভাবে ব্যর্থ। তা ছাড়া তার অযোগ্যতা ও কিছু কিছু অনৈতিক কাজে ত্রিপুরাবাসী ক্ষুব্ধ।
এদিকে নিউইয়র্কে যে সব প্রবাসী বাংলাদেশী বিপ্লব দেবকে দেবতার মত মানেন, তারা চরম হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছেন তার টিকেট না পাওয়ার কারণে। ২০১৮ সালে বিপ্লব মুখ্যমন্ত্রী হলে নিউইয়র্কে বিজেপি সমর্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে খুশীর বন্যা বয়ে যায়। বিপ্লব ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায়, নিউইয়র্কে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সভা করা হয়। কিন্ত কিছু দিন পর দূর্নীতির দায়ে তার ক্ষমতা চলে গেলে চুপসে যান বিপ্লব ভক্তরা।
২০১৮ সালের ৯ মার্চ তিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। তবে মেয়াদ পূরণের আগেই, তাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ছেটে ফেলা হয়।
ত্রিপুরার বিধান সভার নির্বাচনে ১৭ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেসও। সিপিএম এবারের নির্বাচনের ৬০টি আসনের মধ্যে ১৩টি আসন ছেড়েছে কংগ্রেসকে।
প্রসঙ্গত, বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে আগেই ৪৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৪৩টিতে সিপিএম ও তিনটিতে সিপিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি লড়াই করবে।
এবারের নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় সিপিএমের ২৪ জন প্রার্থী নতুন। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাক্রম আসন থেকে।


