আমেরিকায় আজ ৩১জুলাই (বিকেল ৩টা পর্যন্ত) কভিড ১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০৪ জন। গতকাল মৃতের সংখ্যা ছিল ১২৬৬ জন। নিউইয়র্কে আজ নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০৪ এর অধিক।
মাস্ক পরা থেকে শুরু করে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা যেমন জরুরী তেমনি অপ্রয়োজনে বাইরে বেরুনো কোনভাবেই উচিত নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ” আমরা এমন একটা সময় অতিক্রম করছি, এখুনি কোনভাবেই ভাবা উচিত নয় নিউইয়র্ক নগরী সুরক্ষিত ৩২৭২৫ জন নিউইয়র্ক নগরী হারিয়েছে কভিড ১৯ এর ফলে। দ্বিতীয় ধাপ-আরো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে আমাদের। এরজন্য প্রয়োজন প্রস্তুতির। কভিড এর পূর্বের স্বাভাবিক জীবন-যাপন এখনো অচিন্তনীয়।”
আগস্ট ২০০০ এর মধ্যে আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ অবধি আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা দেড় লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। মোট মৃতের সংখ্যা ১৫৩১৯৫।
নিউ ইর্য়ক শহরে আবার করোনায় সংক্রমনের সংখ্যা বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ সোসাইটির একজন কর্মকর্তা বলেন, আড্ডাপ্রিয় জাতি আমরা। একজন আরেকজনকে দেখার জন্য-আড্ডা দেয়ার জন্য পাবলিক ট্রান্সপোটে চলে আসি। সবার কাছে অনুরোধ অপ্রয়োজনে কোনভাবেই এখনো বের হবার সময় হয়নি। কত প্রাণ আমাদের চোখের সামনে হারিয়ে গেছে নিউ ইয়র্কে। যাদেরকে আমরা নিয়মিত দেখতাম জ্যাকসন হাইটসে। তাদের অনেকেই নেই এখন। তাই বেঁচে থাকাটাই এখন সবচেয়ে জরুরী। বেঁচে না থাকলে কিছুই করার থাকবেনা, না নিজের জন্য, না পরিবারের জন্য, না সমাজের জন্য, না দেশের জন্য।
নিউ ইর্য়ক শহরে আবার করোনায় সংক্রমনের সংখ্যা বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ সোসাইটির একজন কর্মকর্তা বলেন, আড্ডাপ্রিয় জাতি আমরা। একজন আরেকজনকে দেখার জন্য-আড্ডা দেয়ার জন্য পাবলিক ট্রান্সপোটে চলে আসি। সবার কাছে অনুরোধ অপ্রয়োজনে কোনভাবেই এখনো বের হবার সময় হয়নি। কত প্রাণ আমাদের চোখের সামনে হারিয়ে গেছে নিউ ইয়র্কে। যাদেরকে আমরা নিয়মিত দেখতাম জ্যাকসন হাইটসে। তাদের অনেকেই নেই এখন। তাই বেঁচে থাকাটাই এখন সবচেয়ে জরুরী। বেঁচে না থাকলে কিছুই করার থাকবেনা, না নিজের জন্য, না পরিবারের জন্য, না সমাজের জন্য, না দেশের জন্য।


