আয়োজকরা জানান, করোনার এই ক্রান্তিকালে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একটা চাপা আতংক বিরাজ
করছে। অ্যান্টিবডি টেস্ট তাদেরকে সে আতংক থেকে মুক্তি দিয়ে নিশ্চিত করে তুলতে পারে। এ ভাবনা থেকেই ফোবানার কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি টেস্ট প্রোগ্রামের আয়োজন।
গেল ১২ জুন শুক্রবার জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় স্থানীয় সময় দুপুর থেকে শুরু হয়ে রাত ৮ তা পর্যন্ত তাদের এই সেবাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকে।
করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত নিউ ইয়র্ক শহরে গেল কয়েকদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই কমে এসেছে। আর এ মুহুর্তে কোভিড ১৯ অ্যান্টিবডি টেস্ট খুবই প্রয়োজন।
নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় সরকারিভাবে এ সুবিধা বিদ্যমান থাকলেও সাধারণ প্রবাসীদের কথা বিবেচনায় এনে ফোবানা ব্রুকলিনের পর জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি টেস্ট সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করে।
এদিন জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় দুপুর থেকে শুরু করে রাত অবধি চলে তাদের সেবা কার্যক্রম। আয়োজক
সংগঠনের কনভেনর শাহ নেওয়াজ ও সেক্রেটারি কাজী আজম জানান, আগামীতে তারা জ্যামাইকা ও ব্রঙ্কসে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।
তারা আরও জানান, ফোবানার এ সেবা পেতে শুধুমাত্র পরিচয়পত্র হলেই চলবে।আয়োজন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন (বাপা) ,মার্কস হোমকেয়ার, হেল্প চিটাগোনিয়ান নামের সংগঠন। প্রচুর প্রবাসী ফোবানার এ সেবা কর্মসূচীতে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, বিভিন্ন কারণে অনেকেই হাসপাতালে যেতে চান না। অথচ এ সময়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত কিনা সেটি নিশ্চিত হতে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি টেস্ট খুবই জরুরি। এ আয়োজনে সেসব মানুষেরা টেস্ট করিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পেরেছেন।
বক্তারা আরও জানান, কমিউনিটির যে কোনও সমস্যায় সবসময়ের মতোই তারা মানুষের পাশে থাকবেন।
আয়োজনে বক্তব্য রাখেন ফোবানা মেম্বার সেক্রেটারি ফিরোজ আহমেদ ও বাপা’র প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী ।
আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ফোবানার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান, চীফ কোঅর্ডিনেটর গিয়াস আহমেদ , ফিন্যান্স ডিরেক্টর নিশান রহিম , কালচারাল ডিরেক্টের রানু নেওয়াজ। এছাড়াও ছিলেন বাপার ভাইস প্রেসিডেন্ট এরশাদ সিদ্দিক, হেল্প চিটাগোনিয়ানের পক্ষে মাকসুদুল হক চৌধুরী প্রমুখ। ⛘


