রিয়াল মাদ্রিদের হৃদয় ভেঙে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) থেকে যাওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পে বাড়তি ক্ষমতা পেয়েছেন বলে খবর রটেছে। দলে কোন কোন খেলোয়াড় থাকবেন সেটাও নাকি ঠিক করে দেবেন তিনি। স্প্যানিশ সাংবাদিক সার্জিও সান্তোস জানিয়েছেন, ক্লাবকে এমবাপ্পে বলেছেন ‘নেইমারকে বেচে দাও!’ নেইমারের জায়গায় বার্সেলোনার ফরাসি উইঙ্গার ও জাতীয় দলের সতীর্থ উসমান দেম্বেলেকে চান তিনি। বার্সেলোনার সঙ্গে মৌসুম শেষেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে দেম্বেলের। ২৫ বছর বয়সী এই তারকাকে ফ্রি ট্রান্সফারে প্যারিসে আনতে রাজি পিএসজির প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফিও।
নেইমারের সঙ্গে ১১২ ম্যাচ খেলেছেন এমবাপ্পে। দু’জনের অবদান ৪৭ গোলে। এমবাপ্পে রিয়ালে যাননি শুনে খুশিই হয়েছিলেন নেইমার। সতীর্থকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘এমবাপ্পে অসাধারণ। শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয় সে আমার অনেক ভালো বন্ধু। পিএসজিতে সে থেকে যাওয়ায় আমি অনেক খুশি।’
তবে গুঞ্জন রয়েছে তাদের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়
একবার নেইমারকে ‘নিষ্কর্মা’ বলে বসেন এমবাপ্পে। লে’কিপকে দেয়া সাক্ষাতকারে ফরাসি তারকা জানান, ‘শব্দটা ছিল বাম (নিষ্কর্মা), সে আমাকে পাস দেয়নি। হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমি ওটা বলেছি। ফুটবলে এসব ঘটেই থাকে। এরপর আমি নেইমারের সঙ্গে এটা নিয়ে কথাও বলেছিলাম। একবার আমিও তাকে পাস দিইনি। সে আমার প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না।’
শুধু নেইমার নন, এমবাপ্পের চাওয়ায় পিএসজি ছাড়তে পারেন আরও অনেকে। এদের অন্যতম পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়া পরিচালক লিওনার্দো। নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ইউলিয়ান লরেন্স, ফাব্রিজিও রোমানো ও রোমাইন মলিনাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের মতে, লিওনার্দোর পিএসজি ছাড়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তার জায়গায় লুইস কাম্পোসকে চাইছেন এমবাপ্পে। মোনাকোতে এমবাপ্পেকে গড়ে তুলেছিলেন এই কাম্পোসই।
আর কোচ হিসেবে এমবাপ্পের প্রথম পছন্দ জিনেদিন জিদান। অনেক দিন ধরেই জিদানকে ঘিরে নানা কথা শোনা গেছে। এমবাপ্পের ইচ্ছা পূরণে এবার বোধ হয় তাকে কোচ বানিয়েই ছাড়বেন খেলাইফি।
