সন্ধান২৪.কম : গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জঙ্গি আস্তানার খোঁজে নগরীর শাপলাবাগস্থ ৪০/এ, শাহ ভিলায় অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ।এ সময় এক জঙ্গি সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে বাসার মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। বাসার মালিক জানান, জঙ্গিরা ছাত্র পরিচয়ে তার বাসা ভাড়া নিয়েছিল এবং এখানে তারা জঙ্গি কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ নিতে চেয়েছিল বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে । সিলেটে নব্য জেএমবি কমান্ডার নাইমুজ্জামান নাইমসহ ৫ জনকে গ্রেফতারের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে নামে । ।
বাসার মালিক শাহ মো. সামাদ আলী জানান, এমসি কলেজে পড়াশোনা করছে এমন তথ্য দিয়ে প্রায় ২ মাস আগে দুই জন শিক্ষার্থী বাসা ভাড়া নিতে আসে। এ সময় তাদের বলা হয়, মাসে ১২ হাজার টাকা করে ভাড়া দিতে হবে এবং ৩ মাসের ভাড়া অগ্রিম দিতে হবে। এতে তারা রাজি হয়। এক মাসের অগ্রিম ভাড়ার টাকাও দেয়। তবে পরে তারা বাসায় ওঠেনি।
তিনি আরও বলেন, ‘যাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমার বাসায় ধরে নিয়ে এসেছিল, সেই যুবক আমার সামনে জানিয়েছে তারা বাসা ভাড়া নিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চেয়েছিল। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজ চালাতে চেয়েছিল। তারা জঙ্গি তৎপরতার কথা স্বীকার করেছে।’
সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গিরা স্বীকার করেছে, তারা এই বাসাটি প্রশিক্ষণের জন্য ভাড়া নিয়েছিল।’
এর আগে নগরীর জালালাবাদ এলাকার জঙ্গি সন্দেহে আটক সামিউল ইসলাম সাদীর বাসায় অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও কম্পিউটার ডিভাইস উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযানের সময় সিলেট মহানগর পুলিশের সদস্য


