বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত লেখক-সাহিত্যিক-শিল্পী ও ২০টি প্রকাশনা সংস্থার অংশগ্রহণে এবারই প্রথম ভার্চুয়াল বইমেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বলে জানানো হয়।
১০ দিনের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন থাকবে শিশু-কিশোর মেলা। ২৫ সেপ্টেম্বর থাকছে মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের অনুষ্ঠান দেখা যাবে নিউ ইয়র্ক বইমেলার ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব চ্যানেল ও সরাসরি টেলিভিশনে। এছাড়া পৃথিবীর সকল দেশ থেকেই বই ক্রয় করার ব্যবস্থা থাকবে।
নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা ২০২০ এর আহ্বায়ক আরো বলেন, ‘২০২০ সালের বইমেলা নিয়ে আমাদের স্বপ্নই ছিল আলাদা। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। বছর শুরু হওয়ার আগে জাতির জনককে নিবেদনে নানান প্রক্রিয়া শুরু করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন। নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটে জাতির জনকের শতবর্ষ উদযাপনের রেজুলেশন পাশ এবং ২৫ সেপ্টেম্বর যেদিন জাতির পিতা জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন সেদিনকে বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে ঘোষণা করার উদ্যোগ ছিল উল্লেখযোগ্য।
মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কথা সাহিত্যিক ফেরদৌস সাজেদীন আলাদা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, বিশ্ব জুড়েই, আমরা এক অভাবনীয়, এক দুঃসহ ও অসহায় সময়ের ভেতর দিয়ে আমাদের জীবন অতিবাহিত করছি। এর মধ্যেই নতুন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে, পৃথিবীর মানুষের সৃষ্টিশীলতা, শিল্প সাহিত্যের, নানা শাখায় আপন আপন প্রাণস্পন্দনে সজীব হয়ে উঠছে। আর এ পথ ধরেই ’যত বই তত প্রাণ’ স্লোগান নিয়ে আয়োজন করছি ২৯তম বইমেলা। ভার্চুয়াল এই বইমেলাটি হবে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি। পৃথিবীর সকল বাঙালির একটি মিলনমেলার লক্ষে আমদের প্রয়াস থাকবে যে ভার্চুয়াল এই মেলাটিও হয়ে উঠবে সবার প্রাণের মেলা’।


