
সন্ধান ডেস্ক: আফগানিস্তান ভূমিকম্প ও খরার পর এবার টানা বৃষ্টি ও হড়পা বানের প্রকোপে বন্যায় বিপর্যস্ত । এমাসে ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে বন্যার কবলে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আঙিনার সাহায্যপ্রার্থী তালিবান সরকার। তারা জানিয়েছে, ১০ লক্ষেরও বেশি পরিবার খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাবে ভুগছে।
আফগানিস্তান জানিয়েছে, ”১০ লক্ষেরও বেশি পরিবারের অবিলম্বে বিদেশ থেকে ত্রাণ প্রয়োজন। যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান।” এই বছরে আফগানিস্তানকে বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে দেখা গিয়েছে।
জুনে ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজারেরও বেশি মানুষ। সেই সঙ্গে ছিল খরার প্রকোপ। এবার বন্যার ধাক্কাতেও অসহায় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কাবুলিওয়ালার দেশে। জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে অসংখ্য বাড়ি। ১৭ লক্ষ ফলগাছ ভেঙে পড়েছে। ঘরছাড়া বহু মানুষ। সামনেই শুরু হতে চলেছে শীতকাল। প্রবল শৈত্যে ওই গৃহহীন মানুষরা আরও সংকটে পড়তে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাত পাততে হচ্ছে।
প্রায় দুই দশকের যুদ্ধের জেরে বিধ্বস্ত অর্থনীতি। পরিস্থিতি আরও ঘোরাল করে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি। সবমিলিয়ে দেশ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে তালিবান। গত বছরের আগস্টে কাবুল দখল করে তালিবান। শুরু হয় তালিবান ২.০। তারপর গত এক বছরে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হয়েছে। সাধারণ মানুষের অবস্থা শোচনীয়। এবার বন্যায় রাতারাতি গৃহহীন মানুষ।