দুই দেশের রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে দ্বিপক্ষীয় টুর্নামেন্ট খেলতে পারে না ভারত-পাকিস্তান। আইসিসি কিংবা এসিসিসির আসর ছাড়া দুই দলের দেখাও হয় না ২০০৭ সালের পর থেকে।
তবে এবার হয়তো দেখা যেতে পারে ভিন্ন কিছু। ২০০৫ সালে ‘আফ্রো-এশিয়া কাপ’-এর যাত্রা শুরুর পর ২০০৭ সালে এসে থেমে যায়। এই থেমে যাওয়াটাও দুই দেশের দ্বন্দ্বের কারণে।
তবে এবার আলোর মুখ দেখতে পারে আফ্রো-এশিয়া কাপ। এশিয়ার দলগুলো থেকে বাছাই করা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া হয় দল। একই ভাবে আফ্রিকা অঞ্চলের ক্রিকেট খেলুড়ে দলগুলো থেকে বেছে নেওয়া হয় খেলোয়াড়দের।
সবশেষ ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া আসরে এশিয়া অঞ্চলের অধিনায়ক ছিলেন লঙ্কান সাবেক অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে। যে দলে খেলেছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, মোহাম্মদ রফিক। ভারতের পক্ষে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, সৌরভ গাঙ্গুলি, শচীন টেন্ডুলকার, যুবরাজ সিংদের মতো তারকারা। পাকিস্তানের হয়ে খেলেছিলেন মোহাম্মদ আসিফ, শোয়েব আকতার, মোহাম্মদ ইউসুফরা। সেবার ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল এশিয়া একাদশ।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। যদি তাই হয় তবে বাবর আজম-বিরাট কোহলিদের দেখা যেতে পারে একই ড্রেসিং রুম শেয়ার করতে।
আফ্রো-এশিয়া সংস্থাটির সভাপতি পদে রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেক্রেটারি জয় শাহ। তিনি ভারতীয় সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, আসন্ন এসিসির পরবর্তী সভায় আফ্রো-এশিয়া কাপ নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।
‘আমরা আফ্রো-এশিয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে কিছু প্রস্তাব দিয়েছি। এটা দারুণ এক টুর্নামেন্ট যা শুধু রাজস্বই আনবে না, উন্নয়ন ঘটাবে আফ্রিকা অঞ্চলের ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোরও।’
