সন্ধান২৪.কমঃ নির্বাচনী প্রচারের সময় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের সমর্থন করে একাধিক বার বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু জাতিসংঘে আমেরিকার দূত হিসেবে নতুন প্রেসিডেন্ট যাঁকে মনোনীত করেছেন, সেই লিন্ডা টমাস গ্রিনফিল্ড বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট সমর্থনের বার্তা দিলেন না। তাঁর মন্তব্য, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আর এতেই কিছুটা অস্বস্তিতে ভারত। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

এর আগে তিন-তিন জন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট, জর্জ বুশ, বারাক ওবামা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোর গলায় সমর্থন করেছেন।
এই নিয়ে নয়াদিল্লির পাশেই রয়েছে ব্রিটেন। মঙ্গলবার প্রকারন্তরে সে কথাই বুঝিয়ে দিলেন ব্রিটেনের কমনওয়েলথ এবং ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্স দপ্তর (সাউথ এশিয়া,কমনওয়েলথ, রাষ্ট্রসঙ্ঘ)-এর মিনিস্টার অব স্টেট লর্ড তারিক আহমেদ। এছাড়া, দেশের মানবাধিকার দপ্তরের মন্ত্রীও তিনি। তারিক বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে ব্রিটেন। আমরা চাই, গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে ভারত তাতে যোগ দিক।
এমনিতেই জাতিসংঘেরনিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বড় বাধা তার অন্যতম স্থায়ী সদস্য চিন। তারা সরাসরিই ভারতের দাবিতে আপত্তি জানিয়েছে। ভেটো-ক্ষমতা সম্পন্ন চিনের আপত্তির সঙ্গেই রয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী পাকিস্তানের প্রবল আপত্তি। একই অবস্থা জার্মানি, ব্রাজিল ও জাপানের। তাদের ক্ষেত্রে আপত্তি রয়েছে যথাক্রমে ইটালি, মেক্সিকো এবং মিশরের। আমেরিকা সেই আপত্তির কথা বিলক্ষণ জানে। তা উপেক্ষা করেই এর আগের তিন জন প্রেসিডেন্ট বিশেষ করে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ব্যাপারে একাধিক বার জোর সওয়াল করেছিলেন। কিন্তু বুধবার লিন্ডা টমাস গ্রিনফিল্ড সেনেটে বিদেশ বিষয়ক কমিটির সামনে কনফার্মেশনের শুনানির সময় ওই মন্তব্য করেন।