সন্ধান২৪.কমঃ ভারতের উত্তরপ্রদেশে করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পেতে ‘করোনা মাতা’র মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে । রাজ্যটির প্রতাপগড় জেলার শুক্লাপুর গ্রামের বাসিন্দারা একটি নিমগাছের নিচে ওই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাসিন্দাদের আশা, দেবীর আশীর্বাদ মহামারি মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

করোনা ঠেকাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধূপ জ্বালাতে ও কাঁসর ঘন্টা বাজাতে বলেছিলেন। এ ছাড়াও বিজেপির মন্ত্রী ও নেতারাও করোনা রোধে গো-মুত্র পানসহ নানা রকম টোটকা দিচ্ছেন।
‘করোনা মাতা’র মন্দির প্রতিষ্ঠার পর সামাজিত যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় একাধিক ভিডিও এবং ছবি। তাতে মন্দিরে ‘করোনার মাতা’র প্রতিমা রয়েছে। প্রতিমার মুখে সবুজ মাস্ক পরানো হয়েছে। গ্রামবাসীরা মন্দির তৈরির জন্য নিজেরাই অর্থ দিয়েছেন।
এক গ্রামবাসী বলেন, ‘আমরা সবাই এই বিশ্বাস নিয়ে মন্দির স্থাপন করেছি যে দেবদেবীর কাছে প্রার্থনা করলে অবশ্যই কভিডে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থ হয়ে ওঠবেন।’

আনন্দবাজার বলছে, এই মন্দিরের কারণে ওই এলাকায় কভিডবিধি শিকেয় তুলে দেওয়া হয়েছে। কারণ লোকজন মন্দিরে প্রার্থনা করতে ও পুরোহিতের কাছ থেকে প্রসাদ নিতে ভিড় করে চলেছে। এর আগে তামিলনাড়ু ও কর্নাটকেও ‘করোনা মাতা’র মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
করোনা ভাইরাস ঠেকাতে পারে একমাত্র গোমূত্র। জানালো হিন্দু মহাসভা। মারণ ভাইরাস ভারতে রুখে দিতে কোমর বেঁধে নেমে পড়লেন হিন্দু মহাসভার সভাপতি চক্রপানি মহারাজ। এই যুদ্ধে তাদের হাতিয়ার গোমূত্র। চা-পার্টির মতোই গোমূত্র পার্টির আয়োজন করা হচ্ছে হিন্দু মহাসভার পক্ষ থেকে।

হিন্দু মহাসভার চক্রপাণি মহারাজের দাবি, ‘চায়ের মতো করে আমরা গোমূত্র পার্টির আয়োজন করতে চলেছি করোনা ভাইরাস রুখতে। এই পার্টিতে মানুষকে বোঝানো হবে, কীভাবে গোমূত্র ও গোবরের মতো জিনিসগুলি ব্যবহার করে করোনার প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
সূত্র: আনন্দবাজার।


