সন্ধান২৪.কম : ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পুরোধা বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙার মূল পরিকল্পনাকারী আনিসুর রহমান আনিসকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিচুর রহমানসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নৈশপ্রহরী খলিলুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিচুর রহমান, যুবলীগ কর্মী সবুজ এবং হৃদয়।
তার বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা যুবলীগের দফতর সম্পাদক মনোয়ার হোসেন বলেন, শনিবার বিকালে কুমারখালী উপজেলা যুবলীগের এক জরুরি সভায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান আনিসকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার গভীর রাতের এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। এরা হলেন বাঘা যতীন ডিগ্রি কলেজের সভাপতি নিজামুল হক চুন্নু, অধ্যক্ষ হারুনর রশিদ, নৈশ প্রহরী খলিলুর রহমান ও কয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আনিচুর রহমান।
শুক্রবার রাতে ওই যুবলীগ নেতাসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রায়ডাঙা গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে আনিসুর রহমান আনিস (৩৫), তার ক্যাডার কয়া গ্রামের শাহাবউদ্দিনের ছেলে হৃদয় আহমেদ (২০) ও একই উপজেলার ছেঁউড়িয়া মণ্ডলপাড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে সবুজ হোসেন (২০)।
ওই যুবলীগ নেতার সঙ্গে কয়া মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও কলেজের অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতার তিন আসামিকে শনিবার বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে উপস্থাপান করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) রাকিবুল হাসান বলেন, শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও আদালতে শুনানি হয়নি।