সন্ধান২৪.কমঃ সংযুক্ত আরব আমিরাতে দ্বীপটিকে স্থানীয় লোকজন ‘ভূতের গ্রাম’ হিসেবেই চেনে। ‘আল জাজিরাহ আল হামরা’ সমুদ্র নিকটবর্তী একটি দ্বীপ, ৫৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রায় জনমানবশূন্য ও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

হঠাৎ করেই মানুষ শূন্য হতে থাকে ১৯৬৮ সালের পর । প্রায়ই পর্যটক ঘুরতে যান সেখানে। স্থানীয়রা প্রায়ই বিচিত্র হাতের ছাপ দেখতে পান। তাঁদের ধারণা, এটি আগত দর্শনার্থীদের জন্য সতর্ক সংকেত। বিজ্ঞানের যুগে এসবের ব্যাখ্যা চলে না।
এই দ্বীপে কেবলই ধ্বংসস্তূপ। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রাচীন ইটপাথরে ভরা জঞ্জালময় পরিবেশও আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
জানা গেছে, ১৪০০ শতাব্দীতে গ্রামটি গড়ে ওঠে। ১৮৩১ সালে এর পুনর্নির্মাণও হয়। প্রায় ৩০০ ঘরে ৪১০০-র মতো লোক বসবাস করত। সেখানে ছিল ১৩টি মসজিদ। এক সময় বণিকদের পদচারণা ছিল। ১৯৬০ সালেও ছিল অনেক বিলাসী বাড়িঘর। উপকূলীয় গ্রামটিতে তখন ফার্সি অভিবাসী, পর্তুগিজ ব্যবসায়ী এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তারা দাপিয়ে বেড়াত। স্থানীয়রা মাছ এবং মুক্তার ব্যবসা করত।
হঠাৎ করেই দৃশ্যপট পালটাতে থাকে। একপর্যায়ে এই গ্রামে জিন-ভূতের বসবাসের খবর রটে যায়। বাসিন্দাদের মনে ভয়-ভীতি তৈরি হয়। এর কয়েক বছর পর দ্বীপটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে প্রায় ২৫০০ বাসিন্দা আবুধাবি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।