মরিচের দেশে মরিচের সংকট

সন্ধান২৪.কম : গত দশ বারোদিন ধরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন মানিকগঞ্জের বরঙ্গাইল হাটে মরিচ উঠছে  এক দেড় শ কেজি। অথচ মৌসুমের সময় প্রতিদিন কেনাবেচা হয় গড়ে এক শ টন মরিচ। বন্যার পানিতে গাছ ডুবে যাওয়ায় মরিচের দেশে এখন মরিচেরই আকাল।

মানিকগঞ্জের ঘিওর, শিবারয় এবং হরিরামপুর উপজেলায় উৎপাদিত মরিচ এই হাট থেকেই ট্রাকে চলে যায় ঢাকা, চিটাগাং, সিলেটসহ সারা দেশের বাজারে। বিদেশেও রপ্তানি করা হয় এই হাটের কাচামরিচ।  

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মটির গুণে ঘিওর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলায় মরিচের ফলন ভালো হয়। এখানকার কৃষকদের প্রধান অর্থকরী ফসল মরিচ। এ বছর মরিচের চাষ হয়েছে প্রায় আট হাজার হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন হয় গড়ে সাত মেট্রিক টন। সাধারণত মার্চ থেকে জুলাইয়ের শেষ এবং আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মরিচের মৌসুম। কিন্তু এবার জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বন্যার পানি ক্ষেতে ঢুকে পড়লে মরিচ গাছ মরে যায়। ফলে কৃষকরা ক্ষেত থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলন ঘরে তুলতে পারেননি। যার প্রভাব পড়েছে মরিচের বাজারে।

ঘিওর উপজেলার শাইলি গ্রামের সাইদুর রহমান এবার দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছিলেন। তিনি জানান, এক বিঘা জমিতে সাত থেকে আট শ চারা রোপণ করা যায়। প্রতিটি চারা দুই টাকা বাবদ খরচ হয় ১৬০০ টাকা। এক বিঘা জমিতে চাষ করতে খরচ হয় এক হাজার টাকা। ইউরিয়া, টিএসপি, এবং পটাশ সারের জন্য বিঘাপ্রতি খরচ হয় ১৫ থেকে ১৬০০ টাকা। 

Exit mobile version