সন্ধান২৪.কম : ডিবির কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসার জন্য দুই প্রতারককে মাত্র ১০মিনিট মুখোমুখি করেছিল । সেই সময়েই মুখ থেকে হুরহুর করে বেরিয়ে এসেছে অনেক গড ফাদারের নাম, যা শুনলে দেশবাসী স্তম্ভিত হবে বলে বলছেন ডিবি পুলিশ।
জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) চেয়ারপারসন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও রিজেন্ট হাসপাতালের কর্ণধার সাহেদ করিমের মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে অনেক রুইকাতলার নাম। এরা সবাই তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দুর্নীতিতে সহায়তা করেছেন। এর মধ্যে মন্ত্রী,আমলা, সেবা কর্মকর্তা,সাংবাদিক, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন পেশার লোক আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দিন আগে সাহেদ-সাবরিনাকে ডিবি কার্যালয়ে মুখোমুখি করা হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে, দুইজনের প্রতারণার ধরন দুই রকমের। কিন্তু তারা দুইজনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসাধু একই শ্রেণির কর্মকর্তার কাছ থেকে কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছাড়াও বিভিন্ন পেশার অন্তত ৩০ জনের নাম তারা বলেছেন, যারা এদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। এই নামগুলো এখন যাচাই-বাছাই চলছে। সোমবার রিমান্ড শেষে সাবরিনাকে কারাগারে পাঠানো হলেও আবারও তাকে রিমান্ডে আনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, দুই দিন আগে সাবরিনা ও সাহেদকে ১০ মিনিটের জন্য মুখোমুখি করা হয়েছে। তাদের দুজনেরই মুখে কিছু কমন নাম চলে আসায় তাদের একত্রে বসানো হয়েছিল। যারা সমাজের অত্যন্ত উচৃ স্তরের লোক । কিন্ত তদন্তের কারণে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে এরা সবাই সমাজে রাঘব বোয়াল হিসেবে পরিচিত।
ডিবি সূত্র জানায় ,কোন ধরণের প্রমান না রাখার জন্য যদিও তারা আগেই তাদের মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন অ্যাপসগুলো ডিলিট করে দেন। এরপরও প্রযুক্তির সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর সাহেদ, আরিফ ও সাবরিনার মোবাইল ফোন ঘেঁটে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে অনেক প্রভাবশালীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাদের। তাদের ধারণা ছিল বিপদে পড়লে ওই ব্যক্তিরা তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এসব ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়েই আরিফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজনকে ভয়-ভীতিতে করে রাখতেন।
ডিবি সূত্র জানায় ,কোন ধরণের প্রমান না রাখার জন্য যদিও তারা আগেই তাদের মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন অ্যাপসগুলো ডিলিট করে দেন। এরপরও প্রযুক্তির সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর সাহেদ, আরিফ ও সাবরিনার মোবাইল ফোন ঘেঁটে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে অনেক প্রভাবশালীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাদের। তাদের ধারণা ছিল বিপদে পড়লে ওই ব্যক্তিরা তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এসব ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়েই আরিফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজনকে ভয়-ভীতিতে করে রাখতেন।
বিভিন্ন রকমের প্রভাব খাটিয়ে জেকেজির জন্য পিপিই, গ্লাসভসসহ মেডিকেল সরঞ্জামও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিতে পেরেছিলেন। পরে এসব মালামাল তিতুমীর কলেজ থেকে উদ্ধার করা হয়।সাবরিনা নিজে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের প্রভাবশালী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন । নিজের গস্ন্যামারকে পুঁজি করে এসব ব্যক্তির সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন সাবরিনা। এ ধরনের অন্তত ১০ জনের নামের তালিকা এখন ডিবির হাতে। এদের অনেকেই আবার সাবরিনার প্রতারণার বিষয়টি জেনে গেলে তাদেরও ম্যানেজ করা ফেলেন। কাউকে টাকা দিয়ে আবার কাউকে মুখের কথায় বস করেন সাবরিনা। কয়েকজনের কাছে সাবরিনার বিপুল পরিমাণ টাকাও জমা রয়েছে বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
সাবরিনা-আরিফের মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল যায়যায়দিনকে বলেন, সাবরিনা কয়েকজনের নাম বলেছেন। কিন্তু নাম বললেই তারা দোষী না। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে সাবরিনাকেও তাদের মুখোমুখি করা হতে পারে।সূত্রমতে, জেকেজি প্রতিষ্ঠানের আরিফুল হক চৌধুরী করোনার নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি করলেও জেকেজির ট্রেড লাইসেন্স তার এক বোনের নামে বলেও তথ্য পেয়েছে ডিবি। তবে মার্চে চুক্তি করে গত জুনে জমা দেওয়া ওই লাইসেন্সটি আবার পুরানো তারিখ বসিয়ে করা হয়েছে। পরে সেটি আরিফের স্ত্রী জেকেজির চেয়ারপার্সন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে কয়েকজন চিকিৎসক নেতা তাকে সহযোগিতা করেন। প্রয়োজনে তাদেরও ডিবি কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হতে পারে।
সন্ধান২৪.কম : ডিবির কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসার জন্য দুই প্রতারককে মাত্র ১০মিনিট মুখোমুখি করেছিল । সেই সময়েই মুখ থেকে হুরহুর করে বেরিয়ে এসেছে অনেক গড ফাদারের নাম, যা শুনলে দেশবাসী স্তম্ভিত হবে বলে বলছেন ডিবি পুলিশ।
জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) চেয়ারপারসন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও রিজেন্ট হাসপাতালের কর্ণধার সাহেদ করিমের মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে অনেক রুইকাতলার নাম। এরা সবাই তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দুর্নীতিতে সহায়তা করেছেন। এর মধ্যে মন্ত্রী,আমলা, সেবা কর্মকর্তা,সাংবাদিক, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন পেশার লোক আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দিন আগে সাহেদ-সাবরিনাকে ডিবি কার্যালয়ে মুখোমুখি করা হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে, দুইজনের প্রতারণার ধরন দুই রকমের। কিন্তু তারা দুইজনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসাধু একই শ্রেণির কর্মকর্তার কাছ থেকে কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছাড়াও বিভিন্ন পেশার অন্তত ৩০ জনের নাম তারা বলেছেন, যারা এদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। এই নামগুলো এখন যাচাই-বাছাই চলছে। সোমবার রিমান্ড শেষে সাবরিনাকে কারাগারে পাঠানো হলেও আবারও তাকে রিমান্ডে আনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, দুই দিন আগে সাবরিনা ও সাহেদকে ১০ মিনিটের জন্য মুখোমুখি করা হয়েছে। তাদের দুজনেরই মুখে কিছু কমন নাম চলে আসায় তাদের একত্রে বসানো হয়েছিল। যারা সমাজের অত্যন্ত উচৃ স্তরের লোক । কিন্ত তদন্তের কারণে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে এরা সবাই সমাজে রাঘব বোয়াল হিসেবে পরিচিত।
ডিবি সূত্র জানায় ,কোন ধরণের প্রমান না রাখার জন্য যদিও তারা আগেই তাদের মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন অ্যাপসগুলো ডিলিট করে দেন। এরপরও প্রযুক্তির সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর সাহেদ, আরিফ ও সাবরিনার মোবাইল ফোন ঘেঁটে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে অনেক প্রভাবশালীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাদের। তাদের ধারণা ছিল বিপদে পড়লে ওই ব্যক্তিরা তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এসব ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়েই আরিফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজনকে ভয়-ভীতিতে করে রাখতেন।
ডিবি সূত্র জানায় ,কোন ধরণের প্রমান না রাখার জন্য যদিও তারা আগেই তাদের মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন অ্যাপসগুলো ডিলিট করে দেন। এরপরও প্রযুক্তির সহায়তায় সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর সাহেদ, আরিফ ও সাবরিনার মোবাইল ফোন ঘেঁটে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে অনেক প্রভাবশালীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাদের। তাদের ধারণা ছিল বিপদে পড়লে ওই ব্যক্তিরা তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এসব ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়েই আরিফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজনকে ভয়-ভীতিতে করে রাখতেন।
বিভিন্ন রকমের প্রভাব খাটিয়ে জেকেজির জন্য পিপিই, গ্লাসভসসহ মেডিকেল সরঞ্জামও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিতে পেরেছিলেন। পরে এসব মালামাল তিতুমীর কলেজ থেকে উদ্ধার করা হয়।সাবরিনা নিজে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের প্রভাবশালী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন । নিজের গস্ন্যামারকে পুঁজি করে এসব ব্যক্তির সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন সাবরিনা। এ ধরনের অন্তত ১০ জনের নামের তালিকা এখন ডিবির হাতে। এদের অনেকেই আবার সাবরিনার প্রতারণার বিষয়টি জেনে গেলে তাদেরও ম্যানেজ করা ফেলেন। কাউকে টাকা দিয়ে আবার কাউকে মুখের কথায় বস করেন সাবরিনা। কয়েকজনের কাছে সাবরিনার বিপুল পরিমাণ টাকাও জমা রয়েছে বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
সাবরিনা-আরিফের মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল যায়যায়দিনকে বলেন, সাবরিনা কয়েকজনের নাম বলেছেন। কিন্তু নাম বললেই তারা দোষী না। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে সাবরিনাকেও তাদের মুখোমুখি করা হতে পারে।সূত্রমতে, জেকেজি প্রতিষ্ঠানের আরিফুল হক চৌধুরী করোনার নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি করলেও জেকেজির ট্রেড লাইসেন্স তার এক বোনের নামে বলেও তথ্য পেয়েছে ডিবি। তবে মার্চে চুক্তি করে গত জুনে জমা দেওয়া ওই লাইসেন্সটি আবার পুরানো তারিখ বসিয়ে করা হয়েছে। পরে সেটি আরিফের স্ত্রী জেকেজির চেয়ারপার্সন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে কয়েকজন চিকিৎসক নেতা তাকে সহযোগিতা করেন। প্রয়োজনে তাদেরও ডিবি কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হতে পারে।


