সন্ধান২৪.কম : বুড়িমারীতে আবু ইউনুস মো. শহীদুন্নবী জুয়েলকে (৫০) পিটিয়ে হত্যার পর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমেেছে রংপুরে র্যাব-১৩ এর সদস্যরা।
জুয়েলের এক নিকটতম আত্মীয় অভিযোগ করে বলেন, বেশ কিছুদিন থেকে জুয়েল মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন ছিল। এ কারণে তার চাকুরীও চলে যায় । কিন্ত জুয়েল নিয়মিত নামাজ পড়তো, ধর্মের প্রতি খুব শ্রদ্ধা ছিল, সেই জুয়েলকে ধর্মান্ধ গোষ্ঠী বীভৎস উৎসবে পুড়িয়ে মারলো । এটা মেনে নেয়া যায় না ।

এদিকে পিটিয়ে হত্যার পর পুড়িয়ে ছাই করার ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে জুয়েলের শ্যালক মিলন হক তালুকদার বলেন, আমরা দুলা ভাইকে হত্যার বিচার চাই। এ ঘটনায় আমরা মামলা করবো।
তিনি আরও বলেন, আমার ভগ্নিপতি যদি কোনও অপরাধ করে থাকে, তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেওয়া যেতো। কিন্তু তা না করে কেন নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হলো। ঘটনাটি সভ্য সমাজের কোনও মানুষই সমর্থন করে না। তিনি এ ঘটনার ন্যায়বিচার চান।
র্যাব-১৩ বলেন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন ও পুলিশের অনুরোধে আমাদের একটি দল র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান হাফিজের নেতৃত্বে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম আবু ইউনুস মোহাম্মদ শহীদুন্নবী (৫০)। তাঁর বাড়ি রংপুর শহরের শালবন মিস্ত্রিপাড়ায়। তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক। একই ঘটনায় গণপিটুনিতে আহত হন সুলতান জোবায়ের নামের একজন। তাঁর ও শহীদুন্নবীর বাড়ি একই এলাকায়।