মিশিগানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন ফ্যামেলি রি-ইউনিয়ন

যুক্তরাষ্ট্রে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের উদ্যোগে ঈদ পরবর্তী ফ্যামেলির রি-ইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষে শনিবার বিকালে হ্যামট্রামিক শহরের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণমূলক সভার আয়োজন করা হয়।

মূলত পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করতেই অ্যাসোসিয়েশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয় অ্যাসোসিয়েশন সদস্যদের পরিবার।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আড্ডা আর খোশগল্পে মেতে উঠে দারুণ আনন্দ উপভোগ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। সবাই মিলে একসাথে সেরে নেন রাতের খাবার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, অর্ধশতাধিক সদস্যদের অংশগ্রহণে এই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম চলছে। যারা এখনও সদস্য হননি তাদেরকে সদস্য হওয়ার জন্য আহবান করেন। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই প্রথম রিইউনিয়ন অনুষ্ঠান। আমাদের পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করার জন্যই মূলত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া আমরা শিক্ষা,সেমিনার,সিম্পোজিয়ামসহ বিভিন্ন ওয়ার্কশপের মাধ্যমে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে কিভাবে শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে নেয়া যায়,সেই কাজটি করার চেষ্টা করছি আমরা। এই কাজে মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সহযোগিতা কামনা করছি। সবার সহযোগিতা পেলে আমাদের অ্যাসোসিয়েশন দেশীয় সংস্কৃতি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা পালন করতে পারবে।

চট্ট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ ছাত্র ও হ্যামট্রামিক সিটি কাউন্সিলর কামরুল হাসান বলেন, এখানে যত সামাজিক সংগঠন আছে এর মধ্যে একটু ব্যাতিক্রম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন। আমরা চেষ্টা করছি, শিক্ষা,চাকুরীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখানকার লোকজনকে সহযোগিতা করে যেতে।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মঈন দিপু তার বক্তব্যে বলেন, আমরা চাই মিশিগানে আমাদের এই প্রজন্ম আইসিটি ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাক। আমরা সেই লক্ষেই কাজ করছি। করোনাকালীন সময়েও এই অ্যাসোসিয়েশন পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অনেক জায়গায় হতদরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করেছি। পরে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপনী টানেন।

Exit mobile version