মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও কানাডার

মিয়ানমারের সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও কানাডা। এতে টার্গেট করা হয়েছেছ ২০২১ সালের ফেব্রæয়ারিতে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়া জেনারেলদের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে আছে বিমান বাহিনীতে নতুন নিয়োগ দেয়া প্রধান জেনারেল হতুন অং, অস্ত্র বাণিজ্যের সঙ্গে যারা জড়িত তারা। মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংয়ের পরিচালকও তিনি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় মিয়ানমারের অস্ত্রের তিন ডিলারকে এবং তাদের সঙ্গে সংযুক্ত কোম্পানিকে টার্গেট করা হয়েছে। অস্ত্রের ডিলার তাই জাওয়া নিয়ন্ত্রিত দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানরয়েছে এর মধ্যে। ৬৬তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেনাবাহিনীর এই ইউনিটটি দক্ষিণের কায়া রাজ্যে গত বছর বড়দিনের প্রাক্কালে গাড়িতে ৩০ জন বেসামরিক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে পররাষ্ট্রমনত্রী অ্যান্টনি বিøনকেন বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, মিয়াননমারের সেনা শাসকগোষ্ঠী ও তাদের সহিংসতায় যারা সমর্থন দেবেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা অব্যাহতভাবে অবরোধ দেবো। যতদিন তারা এই পথ থেকে বিরত না হবে এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা না করবে ততদিন এই ধারা চলতেই থাকবে।

কানাডা তার নিষেধাজ্ঞায় যুক্ত করেছে হতুন অং সহ চারজন ব্যক্তি এবং দুটি কোম্পানিকে। তাদেরকে কালোতালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে’র পরিচালক মার্ক ফার্মানার বিবৃতিতে বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে সবচেয়ে অগ্রাধিকার হলো মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিমান হামলা বন্ধ করানো। দেশটির বিমানবাহিনীর কাছে টার্গেটিং সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে বৃটিশ সরকার। এটা ভাল খবর।

Exit mobile version