যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক দুটি বন্দুক হামলার ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছে। নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলোতে ঘটনার একদিন পরেই ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি চার্চে আর একটি ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে প্রথম ঘটনায় নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহরে একটি মুদি দোকানে গোলাগুলিতে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এক শ্বেতাঙ্গ তরুণ শহরের জেফারসন এভিনিউ এবং ল্যান্ডন স্ট্রিটের কাছে টপস্ নামের একটি গ্রোসারিতে প্রবেশ করে এলোপাতারি গুলি চালালে ১০ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরো তিনজন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জনই কৃষ্ণাঙ্গ।
গত শনিবার বিকেলের এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রধান বলেন, ১৮ বছর বয়সী বন্দুকধারী এই ব্যক্তি অনেকটা মিলিশিয়া ড্রেস পরে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওই সুপার মার্কেটের পার্কিং লটে প্রবেশ করে। ক্ষিপ্র গতিতে গাড়ি থেকে বের হয়ে পার্কিং লটে থাকা চার জনের ওপর গুলি চালায়। তিনজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এরপর সে সুপার মার্কেটে প্রবেশ করে। সেখানে সিকিউরিট গাডের্র সাথে গুলি বিনিময় হয়। সিকিউরিটি গার্ডকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকধারী। এরপর শপিং করতে থাকা লোকজনের ওপর গুলি চালাতে থাকে। পুলিশ আসলে নিজের গলায় বন্ধুক ধরে আত্মহত্যার ভঙ্গী করে। পুলিশ তাকে জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এরি কাউন্টির শেরীফ জন গার্সিয়া বলেছেন, এটি একটি বর্ণবাদী হামলা।
বাফেলো সুপারমার্কেটে বন্দুক হামলার একদিন পরেই ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি চার্চে হামলায় অন্তত একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে। রোববার রাতে লস অ্যাঞ্জেলস থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে লাগুনা উডসের জেনেভা প্রেসবাইটারিয়ান চার্চে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে বলে অরেঞ্জ কাউন্টি শেরিফের দফতর জানিয়েছে। তিনি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়ছেন। হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


