ইউরিক অ্যাসিড শরীরের ওয়েস্ট প্রোডাক্ট। প্রোটিন খেলে তৈরি হয় পিউরিন। সেই পিউরিন ভেঙে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। এক্ষেত্রে প্রত্যেকের শরীরে থাকে ইউরিক অ্যাসিড। বাড়তি ইউরিক অ্যাসিড বেরিয়ে যায় কিডনির মাধ্যমে। তবে অনেকের এই কাজ ঠিকমতো না হওয়ায় বেড়ে যায় ইউরিক অ্যাসিড। তাই অবশ্যই নিতে হবে সতর্কতা।
ইউরিক অ্যাসিড গুরুতর সমস্যা। অনেক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। ইউরিক অ্যাসিড জয়েন্টে জমে। এই অবস্থায় টমেটো, সামুদ্রিক মাছ, সয়াবিন থেকে দূরে থাকতে হবে।
রেড মিট
গরু ও খাশির মাংস এক ধরনের রেড মিট। এই মাংস অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি করে দিতে পারে। কারণ, রেড মিটে মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন রয়েছে। আর রেড মিটের প্রোটিন অনেকটা পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। তাই এই সমস্যা থাকা মানুষকে অবশ্যই রেড মিট খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে।
চিংড়ি
চিংড়ি একটি লোভনিয় খাবার। অসংখ্য মানুষ চিংড়ি খান। চিংড়িতে রয়েছে ভালো পরিমাণে প্রোটিন। তাই চিংড়ি খেলেও সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে ইউরিক অ্যাসিড অনেকটা বেশি থাকলে চিংড়ি থেকে দূরে থাকুন।
সামুদ্রিক মাছ
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সামুদ্রিক মাছ খেলেও সমস্যা বাড়ে। এক্ষেত্রে আমাদের খুব পরিচিত ইলিশ, রূপচাঁদা খেলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি কেউ ক্যানবন্দি বিদেশি সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, টুনা খেলেও সমস্যা হতে পারে। তাই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগা মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়ে হতে হবে সাবধান।
দানা থাকা সবজি
বিভিন্ন দানা জাতীয় সবজি যেমন ঢ্যাঁড়শ, টেমেটো থেকে মানুষকে দূরে থাকতে হবে। দেখা গিয়েছে এই দানা খেলে সমস্যা বাড়তে পারে। আপনি চাইলে অনায়াসে এই দানা দূর করে সবজিগুলো খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে সমস্যা নেই।
সয়াবিন
সয়াবিন হাই প্রোটিন খাবার। এই খাবার থেকে মানুষের শরীরে অনেক প্রোটিন পৌঁছায়। সয়াবিন অত্যন্ত ভালো একটি খাবার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে মানুষের এই খাবার থেকে সমস্যা হয়। যেমন- ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে এই খাবার নিয়ে অত্যন্ত সচেতন হতে হয়।


