সন্ধান ২৪.কম:শক্তিশালী রাশিয়ার মোকাবিলা করতে অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছেন ইউক্রেনের সাধারণ মানুষজন। দেশ বাঁচাতে যুদ্ধে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের বক্সিং কিংবদন্তি ভ্রাতৃদ্বয় ভিতালি ক্লিশকো এবং ভ্লাদিমির ক্লিশকো। ইউক্রেনিয়ান রিজার্ভ সৈন্য দলে যোগ দিয়েছেন টেনিস তারকা সার্জি স্তাখোভস্কি। এবার স্বদেশ রক্ষায় যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার হুংকার দিলেন সাবেক আর্সেনাল ফুটবলার ওলে লুঝনি।
ইউক্রেনের লেভিভ শহরে বাস করেন লুঝনি। রাশিয়ান আগ্রসনের প্রথম ক’দিন লেভিভ শান্ত থাকলেও ক্রমেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। রাজধানী কিয়েভ ত্যাগ করে মানুষ এ শহরে এসেছে। স্কাইস্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লুঝনি বলেন, ‘অবস্থা ভয়াবহ। ইংল্যান্ডে কোচিং করাতে আসতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু এসবের আগে আমি আমার দেশ, দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে চাই।’
রাশিয়ান আগ্রাসনের বিরুদ্ধাচরণ করে লুঝনি বলেন, ‘আমরা সবাই আশা করি যে, এটি শিগগিরই শেষ হবে। আমাদের নিরীহ মানুষগুলো প্রাণ হারাচ্ছে এবং পরিবারগুলোকে ছিন্নভিন্ন করা হচ্ছে। কিসের জন্য একটি দেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে? আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং এই অন্যায়মূলক যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।’
সুপরিচিত না হলেও, ৫৩ বছর বয়সী লুঝনি ১৯৯৯-২০০৩ মৌসুমে আর্সেনালের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন। এই রাইটব্যাক গানারদের হয়ে জার্সিতে ৪ মৌসুমে মোট ৭৫টি ম্যাচ খেলেন। ২০০২ সালে আর্র্সেনালের ডাবল (এফএ কাপ এবং প্রিমিয়ার লীগ) জয়ী দলের সদস্য ছিলেন লুঝনি। ফুটবল ক্যারিয়ার শেষে তিনি এখন কোচ। কিন্তু ইউক্রেনে চলমান সংকটে ডাগআউট নয়; রনক্ষেত্রকেই বেছে নিতে চান লুঝনি।
আর্সেনালের জার্সি গায়ে চাপানোর আগে দিনামো কিয়েভের হয়ে আটবার লীগ শিরোপা জেতেন লুঝনি। ১৯৮৯ সালে যখন কিয়েভে যোগ দেন, ইউক্রেনের ক্লাবটি তখন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীন ছিল। সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দিনামোতে ছিলেন লুঝনি। ইউক্রেনের জার্সিতে ৩৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি।


