রাশিয়া ও চীনকে মোকাবেলায় সামরিক বাজেট বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। ২০২৩ অর্থবছরে সামরিক খাতে ৮১৩ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ মাসের প্রথমে যে প্যাকেজে স্বাক্ষর করা হয়েছিল তার থেকে এই সংখ্যা ৪ শতাংশ বেশি। এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
খবরে জানানো হয়, চীনকে সবথেকে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে এই প্রতিরক্ষা বাজেট নির্ধারণ করেছে বাইডেন প্রশাসন। একইসঙ্গে রাশিয়া ইউক্রেনে যেভাবে আগ্রাসন চালিয়েছে তাতে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে হুমকি সৃষ্টি হয়েছে। সেটি মোকাবেলায়ও প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এক উর্ধতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আপনি যদি দেশগুলোর সক্ষমতা এবং তাদের অর্থনীতির দিকে তাকান তাহলে দেখবেন, চীন এখনো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবথেকে বড় কৌশলগত হুমকি। আমাদের কৌশল ও বাজেটেও তাই বলা হচ্ছে।
বাইডেন প্রশাসন যে প্রস্তাব তুলেছে তারমধ্যে ৭৭৩ বিলিয়ন ডলার ব্যবহৃত হবে পেন্টাগনের ব্যবহারের জন্য।
তবে তার আগে কংগ্রেসে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে পেন্টাগনের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। ২০২২ সালের প্যাকেজ অনুমোদনের সময়ও এটি করা হয়েছিল।
এদিকে রিপাবলিকান নেতারা সামরিক বাজেট আরও বৃদ্ধির ওপরে চাপ দিয়েছেন। তারা বলছেন, রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ ও চীনের সামরিক বাজেট বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই বাজেট যথেষ্ট নয়। অপরদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটরা প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির সমালোচনা করেছেন। যদিও এই প্রস্তাবিত বাজেট তৈরি করা হয়েছিল ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পূর্বেই। তারপরেও এতে রাশিয়ার হুমকির বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। পেন্টাগন বলেছে, রাশিয়া ন্যাটোর মধ্যে ভাঙন সৃষ্টি করতে একটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক কৌশল হাতে নিয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য ৬.৯ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে।
