১-০ তে পিছিয়ে থেকে আজ পোর্ট এলিজাবেথে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ।
সিরিজ হার এড়াতে জয়ের বিকল্প নেই মুমিনুল হকের। কিন্তু টস হেরে ফিল্ডিংয়ে সেই লক্ষ্যের ধারে কাছেও পৌঁছুতে পারেননি মুমিমুল।
প্রথম সেশনে অর্জন মাত্র এক উইকেট। পেসার খালেদ আহমেদের অফ স্টাস্পের বেশ বাইরের বল দূর থেকেই ড্রাইভ করেন এরউই। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে লিটন দাসের গ্লাভসে। ভাঙে ৭২ বল স্থায়ী ৫২ রানের জুটি।
অথচ ফিল্ডিংয়ে নেমে প্রথমেই সুযোগটা এনে দিয়েছিলেন পেসার খালেদ। কিন্তু অধিনায়ক সে সুযোগ হাতছাড়া করলেন।
ওপেনার সারেল এরউইকে ফেরাতে পারতেন তার ব্যক্তিগত ৪ রানেই। খালেদের পেসে পরাস্ত হলে বল এরউইয়ের প্যাডে লাগে। এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন করেন খালেদ। কিন্তু আম্পায়ার সাড়া দেননি।
এ সময় রিভিউ নেওয়ার জন্য অধিনায়কের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন খালেদ। পাশ থেকে কেউ একজন জিজ্ঞেস করেন, ব্যাটে বলের স্পর্শ আছে কি না। খালেদ মাথা নাড়িয়ে জানান, বল ব্যাটে লাগেনি তিনি মোটামুটি নিশ্চিত।
পেসারের এমন দৃঢ়তার পরও সিদ্ধান্ত নিতে নিতেই সময় শেষ করে ফেলেন মুমিনুল। নির্ধারিত ১৫ সেকেন্ড পার করে দেন।
এরপরই রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে বল-ট্রাকিংয়ের তিনটিই লাল। ব্যাটে বলের স্পর্শ ছিল না, আঘাত হানতো লেগ স্টাম্পের উপরের দিকে।
হাতছাড়া হয়ে যায় শুরুতেই উইকেট পাওয়ার সুযোগ। আক্ষেপ দিয়ে দিন শুরু হয় বাংলাদেশের।
প্রায় একই আক্ষেপে প্রথম টেস্টে পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। তিন বার রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা নেননি মুমিনুল।
এরউইকে লাইফ দিয়েছেন মুমিনুল, এমনটা বললে অত্যূক্তি হবে না।
পরে ওই এরউইকে ২৪ রানে ফেরান খালদই। কিন্তু ততক্ষণে এলগারের সঙ্গে ৫২ রানে জুটি গড়ে দারুণ সূচনা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ওই এক প্রাপ্তি নিয়েই মধ্যাহ্নভোজ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
