
সন্ধান ২৪. কম ঃ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় । তিন বছর ধরে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ভার সইতে গিয়ে এ জেলা হারিয়েছে নয়নাভিরাম পরিবেশ, বন-জঙ্গল, হাতির আবাসস্থলসহ অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ। উটকো ঝামেলা হিসেবে বেড়েছে এলাকায় চুরি, ছিনতাই। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে দিন দিন বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এসব শিবিরের রোহিঙ্গাদের ভরণপোষণ, নিরাপত্তা ও উগ্রপন্থী তৎপরতায় জড়িয়ে পড়া ঠেকানো নিয়ে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন উদ্বিগ্ন! এর ওপর বাড়ছে করেনাভাইরাসের সংক্রমণ। ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসে তাই এবার ক্যাম্পে কোনও ধরনের আয়োজন করা হয়নি। সুত্র বাংলাট্রিবিউন।
রাখাইন থেকে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল নামে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। এরপর থেকে সাত লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঠাঁই নেয় বাংলাদেশে। আগে থেকেই এ দেশে ছিল বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা। মিয়ানমার তাদের ফেরত নিতে না চাওয়ায় লাখ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে যে কক্সবাজারে ক্যাম্প ছাড়িয়ে চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালীসহ ৫০ জেলায় এসব রোহিঙ্গা এখন ছড়িয়ে গেছে।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয় গ্রুপ আইএসসিজির কর্মকর্তা সৈকত বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে ৮ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা নিবন্ধন হয়েছে। বিশেষ করে করোনা সময়ে আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা মহামারি কিভাবে রক্ষা করা যায় সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এটা সত্যি যে দিন দিন রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ কমে যাচ্ছে। এতে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তবে আমরা আশাবাদী দাতা সংস্থাগুলো মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।’


