সন্ধান২৪.কম : নিউইর্য়কে প্রবাসীরা ধর্ষণ ও বিচারহীনতা বিরোধী লংমার্চের ওপর পুলিশ প্রশাসন ও সরকার দলেরর সন্ত্রাসী বাহিনীর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ।
১৭ অক্টোবর বিকেল ৫টায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় তাৎক্ষণিক ভাবে আয়োজিত সমাবেশ থেকে ধর্ষণ ও বিচারহীনতা বিরোধী লংমার্চের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপসারণের দাবি তোলা হয়। অন্যথায় আগামীদিনে আরো তীব্র আন্দোলন করার হুশিয়ারীও উচ্চারণ করা হয়।

কাশেম আলী বলেন,সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছের । বর্তমান সময়ে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, অর্থ লোপাট সীমাহীন ভাবে বেড়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রসাশন । অথচ ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে প্রতিবাদকারীদের পুলিশ আর দলের ক্যাডারদের দিয়ে পিটিয়ে দেশে কথা বলার স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে ।


খোরশেদ আলম বলেন, দেশে নারীর প্রতি নিপীড়ন-ধর্ষণ ও হত্যাসহ সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবির পক্ষে জনমত গঠনে বাম ঘরোনার বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত লংমার্চে ফেনীতে দু’দফা হামলা করা হয়েছে। ফেনী শহরের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এবং দাগনভূঞার জিরো পয়েন্টে হামলায় বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। ভাঙচুর করা হয় লংমার্চের কয়েকটি গাড়ি। তিনি এই সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
জাকির হোসেন বাচ্চু বলেন, শান্তিপূর্ণ লংমার্চে ফেনীসহ চারস্থানে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ফেনী শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মোড় এলাকায় লাঠিসোঁটা ও ইট নিয়ে এই হামলা চালায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সরকার ধর্ষকদের লালন করে যাচ্ছে। যারা ধর্ষকদের লালন-পালন করছে তাদের বিচার চাই। তা না হলে আমাদের আন্দোলন চলবে।

আলিম উদ্দিন ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবী জানিয়ে বলেন, আওয়ামী ও ছাত্রলীগের কর্মীরা জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে লংমার্চে অংশ নেতা নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। হামলাকারীরা লংমার্চকারীদের ছয়টি বাস ভাঙচুর করেছে। হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি। হামলার শিকার নেতাকর্মীদের রক্ষায়ও এগিয়ে আসেনি। হামলায় পুলিশেরও মৌন সমর্থন ছিলো।
হিরো চৌধুরী বলেন, ফেনীতে হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে লংমার্চকারীদের অভিযোগ। তারা আরও বলছেন, হামলার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকায় ছিল।


