
শনিবার ৭ নভেম্বর স্থানীয় সময় বিকাল ৫:৩০ মিনিটে নিউইর্য়কের জ্যাকসনহাইটস ডাইভারসিটি প্লাজায় হিন্দু কোয়ালিশনের আয়োজনে, গুজব ছড়িয়ে কুমিল্লার মুরাদনগরে হিন্দু বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, আগুন, মহিলাদের উপর শারিরীক অত্যাচার ও মন্দিরে হামলা সহ প্রতিদিন দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার , হত্যা, ধর্ষণ, জোর পুর্বক ধর্মান্তরসহ অসংখ্য নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু-বৌদ্ধ ও খৃীস্টান সম্প্রদায়সহ পাহাড়ী জনগোষ্ঠী মানুষের উপস্থিতিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দীপক দাশের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন দীনেশ মজুমদার, গোবিন্দ বানিয়ে, নিতাই বাগচী, বিভাস মল্লিক, জয়দেব গাইন, রুপক নন্দী, শিতাংশু গুহ, ভজন সরকার, বিদ্যুৎ সরকার, রনবীর বড়ুয়া, ডা: টমাস দুলু রায়, সনজিৎ কুমার ঘোষ সহ অনেকে। জুম্মদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, মংএপ্রু, নিরময় তচঙ্গ্যা, আরাবিন্দু চাকমা প্রমুখ।

সভায় সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, ধর্ষণ ও জমি দখলের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদান, অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান হয়। সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীন দেশে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, দৃষ্টন্তমূলক শাস্তি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্মীয় রাষ্ট্র নয়, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই। তারা সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধেরও দাবি করেন।
কুমিল্লাসহ সারাদেশে প্রতিদিন সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার বিকাল ২টায় জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে, সমাবেশ থেকে দীনেশ মজুমদার ও রণবীর বড়ুয়া ঘোষণা করেন ।


