সন্ধান২৪.কমঃ দেশের মানুষ তো জানে, এখন পৃথিবীর মানুষের কাছেও এই সরকারের বোরকা খুলতে শুরু করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনার সরকারের সম্পূর্ণ বোরকা খোলার আগেই পদত্যাগ করুন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, তাকে চিকিৎসার সুযোগ দিন, কারাবন্দী সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীকে মুক্তি দিন। তা না হলে সবকিছু উন্মোচন হয়ে যাবে। উন্মোচন তো হচ্ছেই, যখন সম্পূর্ণ উন্মোচন হবে আর পালিয়েও নিজের মুখ ঢাকতে পারবেন না। সোমবার (১০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজীসহ সব কারাবন্দী সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন ।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের চোখকে ধুলা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে সংলাপ ডেকেছেন। কিসের সংলাপ? আমরা আগে দেখতাম বাস-ট্রেনে হকার বড়ি বিক্রি করতে মজার মজার কাহিনী বলতো। মানুষ আকর্ষণ হলে তারপর বড়িটা বিক্রি করতো। তিনি সেই ধরনের হকারগিরি করছেন। কারণ আল্টিমেটলি যে নির্বাচন কমিশন হবে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। তার আগে সংলাপের নামে একটা তামাশা করে যাচ্ছেন।
বিএফইউজে একাংশের সভাপতি এম আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ও ডিইউজের (একাংশ) সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলমের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমীন রোকন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।
রিজভী বলেন, এই সরকারের প্রত্যেকটি কাজের পেছনে ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা থাকে। চিরদিন টিকে থাকার জন্য যা কিছু করা দরকার, তিনি সেটা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেটা হয় না।
এম আবদুল্লাহ রুহুল আমিন গাজীর মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে বলে হুঁশিয়ারি শওকত মাহমুদ। ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই থেকে জেলে আছেন তিনি।
