Sunday, February 22, 2026
  • Login
No Result
View All Result
Advertisement
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউ ইয়র্ক
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভারত-পাকিস্থান
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মতামত
  • আরো
    • অর্থনীতি
    • জীবনশৈলী
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • উপ-সম্পাদকীয়
সন্ধান
No Result
View All Result
Home জীবনশৈলী

 সামান্য উপসর্গের করোনা আক্রান্তরা কী করবেন?

July 29, 2020
in জীবনশৈলী
Reading Time: 2 mins read
0
0
0
SHARES
92
VIEWS
Share on Facebook

সন্ধান২৪.কম ডেক্স :  প্রতিদিন নতুন করে দু’হাজারের বেশি মানুষ নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। এ দিকে অতিমারি সৃষ্টিকারী কোভিড ১৯ ভাইরাস সম্পর্কে নিত্য নতুন নানা হাড় হিম করা তথ্য জানাচ্ছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীমহল। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের বিশেষজ্ঞদের মতে এই ভয়ানক ভাইরাস নাকি ৪৯ দিন পর্যন্ত মানুষের শরীরে লুকিয়ে বসে থাকতে পারে। তবে সংক্রামক রোগ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড ১৯ এর সংক্রমণ হলেই যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে, তা নয়। অল্পবিস্তর উপসর্গ থাকলে বাড়িতে আলাদা থেকে চিকিৎসা করা উচিত। এর ফলে যাঁদের হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা করা একান্ত দরকার, তাঁদের এ হাসপাতাল ও হাসপাতাল করে ছুটে বেড়াতে হবে না। 

কার্শিয়াং এস ডি হাসপাতালের চিকিৎসক ত্রিবর্ণা সিনহা চক্রবর্তী জানালেন, কোভিড ১৯ সংক্রমণ হলে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে অত্যন্ত মৃদু উপসর্গ থাকে। তার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দরকার হয় না। ১৫ শতাংশ রোগীর উপসর্গ বেশি মাত্রায় হয় এবং শ্বাসকষ্ট থাকায় তাঁদের অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।
মাত্র ৫ শতাংশ রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হয় বলে তাঁদের ভেন্টিলেটর দিয়ে চিকিৎসা করা দরকার হয়। এই মুহূর্তে আমাদের রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে, সেই অনুযায়ী হাসপাতালের পরিকাঠামো ও শয্যার যথেষ্ট অভাব আছে।
সামান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভিড় জমালে একদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ ভয়ানক বেড়ে যাবে অন্যদিকে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে বলে মনে করেন ত্রিবর্ণা। এই কারণেই অল্পবিস্তর উপসর্গ থাকলে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ৫ শতাংশ অত্যন্ত সঙ্কটজনক রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ জনিত অসুখ অন্যান্য ভাইরাল জ্বরের মতই। যেহেতু এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধের খোঁজ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তাই উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা করা হয়।

বাড়ির কোনও সদস্য করোনা আক্রান্ত হলে অন্যদের টেস্ট করিয়ে পজিটিভ এলে এবং বিশেষ কোনও উপসর্গ না থাকলে অর্থাৎ অ্যাসিম্পটোম্যাটিক হলে তাঁরও হাসপাতালে আসার কোনও প্রয়োজন নেই। তবে রোগীর বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি হলে এবং অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ ও ডায়বিটিস থাকলে অথবা ক্রনিক কিডনির অসুখ কিংবা হার্টের সমস্যা থাকলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা উচিত, বললেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ যোগীরাজ রায়। তবে এই প্রসঙ্গে একথাও মনে রাখা উচিত কোনও কোনও রোগী অ্যাসিম্পটোম্যাটিক হলেও পরবর্তী কালে উপসর্গ শুরু হতে পারে।

কার বেশি বা কম উপসর্গ দেখা দেবে তা আগে থেকে বোঝা মুশকিল। ৫–১৪ দিনের মধ্যে কারও কারও হালকা থেকে মাঝারি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই প্রসঙ্গে যোগীরাজ রায় জানালেন, অনেক সময় অনেকের হালকা উপসর্গ থাকলেও রোগী ডিনায়াল মোডে থাকেন। অর্থাৎ তিনি মনে করেন আমি অমুক ওষুধ খেয়েছি বা আমার ইমিউনিটি পাওয়ার বেশি। তাই অল্প উপসর্গ হলেও গ্রাহ্য করেন না। এ ক্ষেত্রে আচমকা রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে উঠতে পারে। তাই সামান্য সমস্যা হলে রুটিন কোভিড টেস্ট করানো উচিত বলে চিকিৎসকদের পরামর্শ।

কী কী উপসর্গ গলা ব্যথা, হালকা জ্বর, মাথা ও গা হাত-পা ব্যথা, শুকনো কাশি, গা ম্যাজম্যাজ করা, গন্ধের অনুভূতি কমে যাওয়া, পেটে ব্যথা , ডায়ারিয়া, বমি ও বমি বমি ভাব ,ত্বকে র‍্যাশ ,চোখ লাল ।এই ধরনের উপসর্গ দেখলে অবশ্যই কোভিড টেস্ট করান।

  • বাড়িতে থাকলে যে সব নিয়ম মানতে হবে
  • ·         শৌচাগার সংলগ্ন আলাদা ঘরে থাকতে হবে
  • ·         স্নান বা অন্য কারণে ঘরের বাইরে যাবেন না
  • ·         বাড়িতে থাকলেও ঘুম ও স্নানের সময় বাদে থ্রি লেয়ার যুক্ত মেডিক্যাল মাস্ক পরে থাকতে হবে, টানা আট ঘণ্টা মাস্ক পরার পর মাস্কটিকে জীবাণুমুক্ত করে কেটে টুকরো করে পেপার ব্যাগে করে ফেলে দিতে হবে।
  • ·         কখনওই টি জোন অর্থাৎ মুখে নাকে বা চোখে হাত দেবেন না
  • ·         নিজের প্রত্যেক দিনের উপসর্গ খাতায় লিখে রাখুন
  • ·         পর্যাপ্ত পরিমাণে জল, শরবত, সুপ, ফল খেতে হবে
  • ·         মনের জোর বজায় রাখতে সচেতন হতে হবে। ভাল বই পড়ুন, গান শুনুন। বাড়ির মানুষ বা কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিয়ো কলে কথা বলতে পারেন
  • ·         নিয়মিত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, কোনও উপসর্গ বাড়লে জানান
  • ·         পালস অক্সিমিটারে নিয়ম করে অক্সিজেনের মাত্রা মাপতে হবে দিনে ৪–৫ বার। ৯৫ এর থেকে কম হলে চিকিৎসককে জানান।
  • ·         সুস্থ বোধ করলেও ১৪ দিন এই ভাবে আইসোলেশনে থাকতে হবে।
  • সংগ্রহ : আনন্দ বাজার পত্রিকা 

Related Posts

জীবনশৈলী

মায়ের অপুষ্টির কারণেই শিশুর ডায়াবিটিস ও হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ে

January 8, 2026
1
জীবনশৈলী

ভয়ংকর খাদ্যদূষণ : প্রতি বছর বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত

December 8, 2025
6
No Result
View All Result

Recent Posts

  • নিউইয়র্কে একুশে উপেক্ষিত ! বাংলাদেশ সোসাইটি,কনস্যুলেট অফিসসহ কেউ দায়িত্ব পালন করছে না
  • ছত্রভঙ্গের পর ফের শাহবাগ অবরোধে ইনকিলাব মঞ্চ, গুরুতর আহত অনেক
  • আমেরিকার সঙ্গে নির্বাচনের তিন দিন আগে ‘গোপন’ বাণিজ্য চুক্তির তোড়জোড় বাংলাদেশের
  • বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রি বন্ধ ! আরও পাকছে জট?
  • পাকিস্তানে আবার বিস্ফোরণ শিয়া মসজিদে !  নমাজের সময় আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬৯, আহত ১৬৯

Recent Comments

    Sanjibon Sarker
    Editor in Chief/ President

     

    Weekly Sandhan Inc.
    Address: 70-52 Broadway 1A, Jackson Heights, NY 11372.
    Contact: +1 646 897 9262
    Email: weeklysandhan@gmail.com,
    www.sandhan24.com

    Bimal Sarkar
    Executive Editor
    Contact: +1 512-576-2944

    Quick Link

    • সম্পাদক
    • গ্যালারি

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    No Result
    View All Result
    • Home
    • Login

    © 2020, All Rights Reserved by সন্ধান - কালের দেয়ালে সাতদিন

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.
    Go to mobile version