সন্ধান২৪.কমঃ বাংলাদেশের বাহিরে সবচেয়ে বড় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনের নতুন তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ নির্বাচন কমিশশনার ।

এদিকে কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা বহুল আলোচিত, সমালোচিত ও বির্তকিত এই নির্বাচন আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে বিস্তর সংশয় প্রকাশ করেছেন । কারণ হিসেবে তারা নির্বাচনের আগে আবারও আর একটি মামলা হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
গত ৮ আগস্ট সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এড. জামাল আহমেদ জনি নির্বাচনের এই নতুন তারিখ ঘোষনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ হাকিম, আনোয়ার হোসেন, রুহুল আমিন সরকার ও কায়সারুজ্জামান কয়েস।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর কি ভাবে নির্বাচন হবে তার যাবতীয় সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়। জামাল আহমেদ জনি আরো বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া। সেই কাজটিই আমরা করছি। তিনি জানান, এই নির্বাচন হবার কথা ছিলো প্রায় ৪ বছর আগে। একদিকে মামলার জটিলতা এবং অন্যদিকে করোনার কারণে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন করতে কোন বাধা নেই।
নির্বাচনের আগে আবার কোন মামলা হবে কি না এবং হলে কি করবেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে জনি বলেন, সেটি ভবিষ্যতেই বলে দিবে। যদি মামলা হয়,তবে তাৎক্ষনিক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন আগের তফসিল অনুযায়ী অর্থাৎ বিধিবিধান যা আছে তাই থাকবে। শুধুমাত্র একটি কেন্দ্র পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত ৫টি এলাকায় ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৯টায় এবং শেষ হবে রাত ৯টায়। কেন্দ্রসমূহ হচ্ছে থাকবে উডসাইডের গুলশান টেরেস, জ্যামাইকার ইকরা পার্টি হল, ব্রুকলিনে কনি আইল্যান্ডের পাঞ্জাব রেস্টুরেন্ট, ওজনপার্কের দেশি সেন্টার এবং ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেস।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, সোসাইটির কার্যকরি কমিটি এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সাথে সভা করে আমরা নতুন নির্বাচনের তারিখ ঠিক করি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন যাতে সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং আবার অযাচিত মামলার কারণে যাতে কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়,তার জন্য ৫ সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি ।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খসড়া একটি হিসাব বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তাদের কাছে দিয়েছি।চূড়ান্ত হিসাব দেয়া হবে নির্বাচনে পরে।আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সোসাইটির কার্যকরি কমিটির কাছে এই নির্বাচন পরিচালনার খরচ হিসেবে আরো ৪৭ হাজার ডলার চেয়েছি। এর আগে দুটি মামলার কারণে নির্বাচন বাতিল হওয়ায়,আমাদের গচ্চা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ডলার।


