সন্ধান২৪.কম: বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। খুলনা মহানগরীর মশিয়ালী এলাকায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে গুলি বিনিময়ে তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় আরও ৮-১০ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে দু’পক্ষে এই সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলি বিনিময় হলে কমপক্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন। তাদেরকে উদ্ধার করে ফুলতলা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে দু’জন মারা যান। বাকি দু’জনসহ আহত আরও ৫ জনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়া চিকিৎসাধীনরা হলেন- খানজাহান আলী থানাধিন মশিয়ালী গ্রামের মৃত শরিয়ত উল্লাহ শেখের ছেলে আফসার শেখ (৬৫), রজব আলী শেখের ছেলে ইব্রাহিম শেখ (২৬), নজরুল শেখের ছেলে জুয়েল শেখ (৩৫), মৃত আলকাস শেখের ছেলে রানা শেখ (২২), আফসার শেখের ছেলে রবি শেখ (৪০), আকরাম শেখের ছেলে শামীম শেখ (২৫), মো. সাইদুল শেখের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২৭)। হতাহতরা সবাই একই বংশ ও পরিবারের সদস্য।
এলাকাবাসী জানায়, মশিয়ালীতে শেখ জাকারিয়া হোসেন ও তার দুই ভাই জাফরিন ও মিল্টনের একটি বাহিনী রয়েছে। তাদের সঙ্গে এলাকার ফকির বংশের লোকদের দীর্ঘদিনের শত্রুতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। পুলিশ অস্ত্রসহ জাকারিয়া শেখের পক্ষের একজনকে আটক করলে তাকে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ফকির বংশের লোকেরা ওই তিন ভাইয়ের বাড়িতে হামলা চালাতে যায়। এ সময় জাকারিয়ার নেতৃত্বে ফকির পক্ষের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুইজন মারা যান। গুরুতর আহত হন আরও ৪ জন। পরে উত্তেজিত জনতা জাকারিয়ার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
এসময় এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোক জড়ো করে জাকারিয়ার বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। হামলার ঘটনায় নাম উঠে আসা জাকারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক এবং জাফরিন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।
