সন্ধান২৪.কমঃ ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাতে নিরব ভূমিকা পালন করছে ইসরাইলের আরব বন্ধুরা, যারা সম্প্রতি সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। গত আগস্টে ইসরাইলের সঙ্গে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তারপর একে একে বাহরাইন, মরক্কো, সুদান কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করে। এখন ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে কার্যত যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ঐ দেশগুলো চুপ করে থাকাই শ্রেয় মনে করছে।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (ইসিএফআর) এর বিশ্লেষক ও ভিজিটং ফেলো সিনজিয়া বিয়ানকো ডয়চেভেলেকে বলেছেন, ‘ইরান ও তুরস্ক এই পরিস্থিতির সুযোগ নেবে ও ইসরাইলের বন্ধু দেশগুলোকে আক্রমণ করবে এটা স্বাভাবিক। আরব দেশগুলো সমালোচনায় মুখর হলে আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদানের ওপর ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা নিয়ে চাপ বাড়বে। এমনিতেই ঐ দেশের মানুষদের একাংশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাই ঐসব দেশের প্রধানদের বলতে হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা সমাধানের জন্যই তারা ঐ পদক্ষেপ নিয়েছেন।
আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে যখন চুক্তি হচ্ছে, তখন আবুধাবির যুবরাজ বলেছিলেন, ফিলিস্তিনের এলাকায় ইসরাইল আর আগ্রাসন চালাবে না। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই পক্ষকেই অস্ত্র সংবরণের আহ্বান জানিয়েছে। মিশর ইসরাইল ও হামাস নেতাদের সঙ্গে অস্ত্রবিরতির আলাপ শুরু করেছে, যদিও সমঝোতায় এখনো পৌঁছানো যায়নি।


