সন্ধান২৪.কম ডেস্ক : কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যু হয়েছিল ইকুয়েডরে আমাজন অরণ্যবাসী এক আদিম জনজাতি নেতার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁর দেহ কবর দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনের তরফে। কিন্তু তাতে বেঁকে বসেন জনজাতির বাকি সদস্যরা। সেই দেহ ফেরত পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে বৃহস্পতিবার পেরুর সীমান্তে একটি গ্রাম থেকে দুই পুলিশ অফিসার, দুই সেনা ও দুই সাধারণ নাগরিককে অপহরণ করেন জনজাতির সদস্যরা। শর্ত ছিল, নেতার দেহ ফেরত দিলে মুক্তি দেওয়া হবে ওই ছয় বন্দিকে। সেই শর্ত মেনে ওই নেতার দেহ তাঁর নিজের সম্প্রদায়ের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ায় মুক্তি পান ছ’জন।


অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইকুয়েডরে আমাজনের যে অংশ, সেখানকার এক জনজাতি অপহরণ করেছিলেন ওই ছ’জনকে। মুক্তির পরে তাঁদের প্রত্যেকের শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রায় শ’ছয়েক সদস্য মিলে আটকে রেখেছিলেন বন্দিদের। পুলিশ কমান্ডার জেনারেল প্যাট্রিসিয়ো ক্যারিলোর মধ্যস্থতায় রফা হয়। দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে করোনার প্রভাব সবচেয়ে মারাত্মক ইকুয়েডরে। সেখানে আক্রান্ত ৬১ হাজারেরও বেশি, মৃত পাঁচ হাজারের কাছাকাছি।


