।। ডা. খালেকুজ্জামান টিপু ।।
নতুন বছরের শুরুতে দেশে নতুন আতঙ্ক হয়ে এসেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ডেল্টাসহ অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলো এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে সংক্রমিত করার জন্য। ওমিক্রন থেকে নিজেকে ও প্রিয়জনকে রক্ষা করতে কী কী সর্তকতা অবলম্বন করবেন, জেনে নিন।

প্রতিদিন বাজার নয় ঃ সংক্রমণের ঝুঁকি যখন বাড়ছে তখন প্রতিদিন বাজারে যাবেন না। সপ্তাহে একবার বাজারে যাবেন এবং পুরো সপ্তাহের শাকসবজি ও মুদি একসঙ্গে কিনে নেবেন।
অতিরিক্ত কিনবেন না ঃ গেলো প্রায় দুই বছর করোনা কখনো কমে আবার কখনো বাড়ে। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে থাকলে লকডাউনের অযথা চিন্তায় অনেকেই চাল, ডাল, বিস্কুট, মসলার মতো শুকনো খাবার বেশি বেশি কিনে রাখেন। অনেক দোকান ঘুরে সবজি-মাছ কেনার চেয়ে একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে সম্পূর্ণ বাজার সেরে ফেলুন।
বেশি বেশি দোকানে যাবেন না ঃ সপ্তাহে একদিন বের হলে খেয়াল রাখবেন যেন একসঙ্গে বহু জায়গায় না যেতে হয়। ওষুধের দোকান, সবজি বাজার আর মাছ-মাংস ছাড়া অন্য কিছু কেনার এখন কতটা প্রয়োজন, সেটা আগে যাচাই করে দেখুন। অনেক দোকান ঘুরে সবজি-মাছ কেনার চেয়ে একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে সম্পূর্ণ বাজার সেরে ফেলুন। যত বেশি জায়গায় যাবেন, তত বেশি মানুষের কাছাকাছি যেতে হবে। এবং সংক্রমণের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।
স্যানিটাইজার-মাস্ক ব্যবহার করুন ঃ বাজারে যাওয়ার সময় অবশ্যই সব রকম কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাই ওমিক্রন প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করুন। সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখবেন। কোনো জিনিস হাত দেওয়ার পর বা টাকা নেওয়ার পর হাতে স্যানিটাইজার লাগাতে ভুলবেন না। যদি কার্ডের মাধ্যমে দাম মেটান, তা হলে পিন নম্বর দেওয়ার পর হাত স্যানিটাইজ করুন।
সামাজিক দূরত্ব ঃ বাঙালি মানেই পরিচিতজনের সঙ্গে দেখা হলে গল্প জুড়ে দেওয়া। এই সময়টাতে বাজারে গিয়ে কারো সঙ্গে আলাপচারিতায় মশগুল হয়ে যাবেন না। চেষ্টা করবেন ২ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে। চেনা মানুষদের সঙ্গে আড্ডা মারতে হলে তাদের ফোন বা ভিডিও কল করবেন।
অনলাইন অর্ডার ঃ সম্ভব হলে অনলাইনে অর্ডার দেওয়ার চেষ্টা করবেন। প্রয়োজনীয় জিনিস বাড়িতে পৌঁছলে, তা নেওয়ার পর হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন।


